1. reporter@youthtvnewsbd.com : reporter :
  2. youthtvnews2019@gmail.com : youthttvnews24 :
বড়পুকুরিয়া খনির ড্রেনের বর্জ্য থেকে কয়লার গুঁড়া সংগ্রহ: জীবিকার সন্ধানে স্থানীয়রা - Youth Tv news
নোটিশ
ইয়ুথ টেলিভিশন এ বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। এছাড়াও জেলা ব্যুরো প্রধান, বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, স্টাফ রিপোর্টার, ক্যাম্পাস  প্রতিনিধি, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার নিয়োগ চলছে। আগ্রহীগণ জীবনবৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভোটার আইডি কার্ডের কপি, নাগরিক সনদের কপি ও সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদ (যদি থাকে) সহ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। মোবাইল: ০১৪০৯-৯৯০৪০০, ০১৯৭২-০৮৪৬৯৬।

বড়পুকুরিয়া খনির ড্রেনের বর্জ্য থেকে কয়লার গুঁড়া সংগ্রহ: জীবিকার সন্ধানে স্থানীয়রা

স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • আপডেট সময়ঃ শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ০ বার

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে নির্গত বর্জ্য পানির ড্রেনগুলো এখন স্থানীয়দের জীবিকার উৎস হয়ে উঠেছে। খনির ভূগর্ভস্থ পানি নিষ্কাশনের সময় ড্রেন দিয়ে ভেসে আসা কয়লার গুঁড়া ও ছাই মিশ্রিত কাদা মাটি সংগ্রহ করছেন এলাকার মানুষ। রসুলপুর, শাহগ্রাম, চৌহাটিগ্রাম ও কালুপাড়াসহ খনি সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় শতাধিক ছোট ছোট পুকুর বা ‘মেটেল’ খনন করা হয়েছে। খনির নর্দমার পানি এসব পুকুরে জমা হওয়ার পর তলানিতে জমে থাকা কালো মাটি শুকিয়ে তা ট্রলিতে করে বিভিন্ন ইটভাটায় বিক্রি করা হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রতি ট্রলি মাটি চার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। তবে এই মাটি আহরণ প্রক্রিয়াটি আইনসম্মত কি না, সে বিষয়ে তাদের স্পষ্ট ধারণা নেই।

খনি সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, ভূগর্ভের গভীর স্তর থেকে কয়লা উত্তোলনের সময় পানি অপসারণ করা জরুরি হয়ে পড়ে। এই প্রক্রিয়ায় পানির সঙ্গে কয়লার সূক্ষ্ম গুঁড়া ও ছাই মিশে বাইরে বেরিয়ে আসে, যা পরে আশপাশের পুকুরে থিতিয়ে পড়ে কালো মাটিতে রূপ নেয়। এই কালো মাটির চাহিদা রয়েছে স্থানীয় ইটভাটাগুলোতে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভাটা মালিক জানান, তারা প্রতি টন কালো মাটি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা দরে কিনে থাকেন। যেখানে আমদানি করা কয়লার বাজারমূল্য টনপ্রতি ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকা পর্যন্ত। ব্যয় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে পার্বতীপুর এলাকার অনেক ভাটা মালিকই এই মিশ্রিত মাটি ব্যবহার করছেন।

এই কর্মকাণ্ডের পরিবেশগত প্রভাব নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। বৈগ্রামের বাসিন্দা ও মেটেল মালিক সহিদুল ইসলামের দাবি, খনির কালো পানি সরাসরি ফসলি জমিতে গেলে তা জমির উর্বরতা নষ্ট করতে পারে। তাই পুকুর কেটে পানি আটকে রাখা তাদের জন্য এক প্রকার আশীর্বাদ। তবে চৌহাটি গ্রামের আব্দুর রহমানসহ স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, খনি এলাকায় এভাবে পুকুর কেটে মাটি আহরণ করা অবৈধ। তারা মনে করেন, খনির পানির যথাযথ সংরক্ষণ ও শোধন ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন এবং এই কালো মাটি আহরণ বন্ধে সরকারি হস্তক্ষেপ জরুরি।

এদিকে, পুরো বিষয়টি নিয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী শাহ আলমের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে খনি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো দেখুন...

Copyright © All rights reserved © 2017 Youth Television News.
Verified by MonsterInsights