
সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে চট্টগ্রামগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১৩৬ ফ্লাইটটি ওমানের মাসকাট বিমানবন্দরে দীর্ঘ সময় আটকে থাকার পর অবশেষে গন্তব্যের পথে রওনা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে জেদ্দা থেকে যাত্রা শুরুর পর ফ্লাইটে থাকা ৫৫ বছর বয়সী যাত্রী ছানোয়ারা বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে পাইলট জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন। মাসকাট বিমানবন্দরে অবতরণের পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উড়োজাহাজ থেকে মরদেহ নামানোর ক্ষেত্রে ওমানের স্থানীয় আইন অনুযায়ী রয়্যাল ওমান পুলিশের অনুমতির প্রয়োজন ছিল। এই আইনি প্রক্রিয়ার কারণে ফ্লাইটটি দীর্ঘ সময় সেখানে আটকে থাকে, যার ফলে অন্য যাত্রীরাও চরম ভোগান্তিতে পড়েন। পরবর্তীতে রয়্যাল ওমান পুলিশের প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়ার পর মরদেহ নামানো হয় এবং আনুষ্ঠানিকতা শেষে ফ্লাইটটি পুনরায় যাত্রা শুরু করে।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল জানান, বুধবার দুপুর ১টা ৫০ মিনিটের দিকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এস২-এএফপি নিবন্ধন নম্বরের উড়োজাহাজটি তখন কলকাতার আকাশসীমায় অবস্থান করছিল। বুধবার দুপুরের মধ্যেই ফ্লাইটটি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
নিহত ছানোয়ারা বেগমের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। চট্টগ্রামে পৌঁছানোর পর উড়োজাহাজটির পরবর্তী গন্তব্য হবে ঢাকা। যাত্রীর অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর বিষয়টি সমন্বয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে ফ্লাইটটি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অনুমতি পেতে সময় লাগায় মরদেহটি দীর্ঘ সময় উড়োজাহাজের ভেতরেই রাখা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই কারণে বিজি-১৩৬ ফ্লাইটটির পরবর্তী যাত্রাও আটকে যায়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মাসকাটে দীর্ঘ সময় অবস্থানের কারণে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় ফ্লাইটটির যাত্রা বিলম্বিত হয়।