1. reporter@youthtvnewsbd.com : reporter :
  2. youthtvnews2019@gmail.com : youthttvnews24 :
জুমার দিন কখন দোয়া কবুল হয়? - Youth Tv news
নোটিশ
ইয়ুথ টেলিভিশন এ বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। এছাড়াও জেলা ব্যুরো প্রধান, বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, স্টাফ রিপোর্টার, ক্যাম্পাস  প্রতিনিধি, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার নিয়োগ চলছে। আগ্রহীগণ জীবনবৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভোটার আইডি কার্ডের কপি, নাগরিক সনদের কপি ও সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদ (যদি থাকে) সহ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। মোবাইল: ০১৪০৯-৯৯০৪০০, ০১৯৭২-০৮৪৬৯৬।

জুমার দিন কখন দোয়া কবুল হয়?

মো: আব্দুল হান্নান (বগুড়া)
  • আপডেট সময়ঃ শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২০৮ বার

আল্লাহ তাআলা পূর্বের জাতিবর্গকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তোমরা সপ্তাহের শ্রেষ্ঠতম দিনে আমার জন্য বিশেষ একটি ইবাদত কর। কিন্তু তারা সেই শ্রেষ্ঠতর দিনটি নির্ণয় করতে ভুল করেছে। চিন্তা-ভাবনা করে ইহুদীরা আল্লাহর ইবাদতের জন্য শনিবারকে নির্বাচন করেছে আর নাসারারা নির্ধারণ করেছে রবিবারকে। অথচ সবচেয়ে সম্মানিত দিন হল জুমাবার। এ দিনের অনেক ফযীলত, অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বিশেষ এই দিনের আল্লাহ বান্দার দোয়া কবুল করেন। বিভিন্ন বর্ণনায় বিভিন্ন সময়ের কথা উল্লেখ হয়েছে। তবে জুমার দিনে দোয়া কবুলের বিশেষ সময় কোনটি সেটা নিয়ে মতানৈক্য থাকলেও দোয়া কবুল হওয়ার ব্যাপারে কারো দ্বিমত নেই।কোন সময় দোয়া করলে আল্লাহ তা কবুল করেন এ সম্পর্কে আমরা একটি হাদিস তুলে ধরছি। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি তুর পর্বতে গেলাম এবং তথায় কা’ব আল-আহবারের সাক্ষাৎ পেলাম। আমরা সেখানে একটি দিন একত্রে কাটালাম। আমি তার নিকট রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর হাদিস বর্ণনা করলাম এবং সে আমার নিকট তাওরাত থেকে বর্ণনা করল। আমি তাকে বললাম, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বুলেছেন, সূর্য উদিত হওয়ার দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম হ’ল জুমার দিন। এই দিন আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিন তাকে (জান্নাত থেকে পৃথিবীতে) নামিয়ে দেয়া হয়েছে, এই দিন তাঁর তওবা কবুল হয়েছে, এই দিন তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং এই দিন ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে। মানুষ ব্যতীত পৃথিবীর যে কোন প্রাণী এই দিন ভোর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ক্বিয়ামত সংঘটিত হওয়ার আশংকায় সন্ত্রস্ত থাকে। এই দিন এমন একটি দুর্লভ মুহূর্ত আছে, কোন মুমিন ব্যক্তি ছালাত অবস্থায় তা পেয়ে গেলে সে আল্লাহর নিকট যা চাইবে তিনি অবশ্যই তাকে তা দান করবেন। কা’ব তাওরাত পড়ে বলল, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সত্য বলেছেন, তা প্রতি জুমার দিন। অতঃপর প্রত্যাবর্তনকালে পথিমধ্যে বাছরা ইবনে আবু বাছরা আল-গিফারী (রাঃ)-এর সাথে আমার সাক্ষাৎ হ’ল। তিনি জিজ্ঞেস করেন, আপনি, কোথা থেকে আসলেন? আমি বললাম, তুরপর্বত থেকে। তিনি বলেন, তথায় যাওয়ার পূর্বে যদি আপনার সাথে আমার সাক্ষাৎ হ’ত তবে আপনি তথায় যেতেন না। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, কেন? তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-কে বলতে শুনেছি, উটকে তিন মসজিদ ব্যতীত (অন্য কোথাও সফরে) কাজে খাটানো যাবে না- ‘মসজিদুল হারাম, আমার মসজিদ ও মসজিদ বায়তুল মাকদিস’। অতঃপর আমি আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে বললাম, আপনি যদি আমাকে তূর পর্বতে যেতে দেখতেন! তথায় আমি কা’ব আল-আহবারের দেখা পাই এবং একত্রে একটি দিন অতিবাহিত করি। আমি তাকে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর হাদিস শুনিয়েছি এবং সে আমাকে তাওরাত থেকে শুনিয়েছে। আমি তাকে বলেছি, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, সূর্য উদিত হওয়ার দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম হ’ল জুমার দিন। এই দিন আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এই দিন তাঁকে (জান্নাত থেকে পৃথিবীতে) নামিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই দিন তাঁর তওবা কবুল হয়েছে, এই দিন তিনি মৃত্যুবরণ করেন এবং এই দিন ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে। মানুষ ব্যতীত পৃথিবীর যে কোন প্রাণী এই দিন ভোর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ক্বিয়ামত সংঘটিত হওয়ার আশংকায় সন্ত্রস্ত থাকে। এই দিন এমন একটি দুর্লভ মুহূর্ত আছে যে, কোন মুমিন ব্যক্তি সালাতরত অবস্থায় তা পেয়ে গেলে সে আল্লাহর নিকট যা-ই চাইবে তিনি অবশ্যই তাকে তা দান করবেন। কা’ব তাওরাত পড়ে বলল, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সত্য বলেছেন, তা প্রতি জুমার দিনই। জন্য অপেক্ষা করতে থাকে, সে সালাতের মধ্যেই থাকে, যাবত আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, কা’ব সত্য বলেছে। নিশ্চয়ই সেই দুর্লভমুহূর্তটি আমি জ্ঞাত আছি। আমি বললাম, হে আমার ভাই! সেটি আমার নিকট বর্ণনা করুন। তিনি বলেন, তা জুমার দিন সূর্যাস্তের পূর্ব মুহূর্ত। আমি বললাম, আপনি কি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-কে বলতে শুনেননি যে, কোন মুমিন ব্যক্তি সালাতরত অবস্থায় তা পায়? আর ঐ সময়টি সালাতের সময় নয়। তিনি বলেন, আপনি কি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে বলতে শুনেন নি, ‘যে ব্যক্তি সালাত আদায় করার পর বসে বসে পরবর্তী সালাতের না তার নিকট পরবর্তী সালাত উপস্থিত হয়’? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বলেন, বিষয়টি তদ্রূপই (নাসাঈ হা/১৪৩০; তা’লাকাতুল হাসান হা/২৭৫৫; মুওয়াত্ত্বা ১/১০৮, সনদ ছহীহ)। আমরা উপরিউক্ত আলোচনায় জানতে পারলাম জুমার দিন দোয়া কবুল হওয়ার দু’টি সময়ের প্রমাণ পাওয়া যায়। (১) ইমামের মিম্বারে বসা থেকে নিয়ে সালাত শেষ হওয়া পর্যন্ত (মুসলিম, মিশকাত হা/১৩৫৭-৫৮)। (২) আছরের পর থেকে নিয়ে সূর্য ডোবা পর্যন্ত (তিরমিযী, মিশকাত হা/১৩৬০)।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো দেখুন...

Copyright © All rights reserved © 2017 Youth Television News. Design & Development by SA Creative Media 
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com