
দেশের চিকিৎসা সেবায় শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ডাক্তারদের কনসালটেশন ফি বা ভিজিট কমানোর জোরালো দাবি উঠেছে। বিশেষ করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ৫ থেকে ১০ মিনিটের দেখার ফি ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা থেকে কমিয়ে ২০০-৩০০ টাকা করার জন্য নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের একটি বড় অংশ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন নাগরিক প্ল্যাটফর্মে এই দাবিটি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, বর্তমানে বেসরকারি চেম্বারে ডাক্তারদের ভিজিট সাধারণ আয়ের মানুষের জন্য একটি বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে মাত্র কয়েক মিনিটের পরামর্শের জন্য ১০০০ টাকা পর্যন্ত ফি দিতে হচ্ছে, যা প্রান্তিক ও মধ্যবিত্ত মানুষের সক্ষমতার বাইরে।
ভুক্তভোগীদের মতে, চিকিৎসা সেবাকে বাণিজ্যিকীকরণ থেকে মুক্ত করতে একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা বা আইন প্রণয়ন করা এখন সময়ের দাবি। তারা বলছেন, “ডাক্তারদের ৫/১০ মিনিট দেখার ভিজিট ৮০০/১০০০ টাকা থেকে কমিয়ে ২০০/৩০০ টাকা করা হোক। এতে সাধারণ মানুষ সুচিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ পাবে।
উল্লেখ্য যে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তারেক রহমান বিভিন্ন খাতের আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছেন। সুতরাং কোনো রোগীকে হাসপাতালের বারান্দায় চিকিৎসা নিতে না হয় তা আইনের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হোক। এই প্রেক্ষাপটে চিকিৎসকদের ফি নির্ধারণে একটি নতুন আইনের প্রয়োজনীয়তা দেখছেন অনেকে।
ইতোমধ্যেই এই প্রস্তাবের পক্ষে জনমত তৈরি হচ্ছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন তুলছেন—”কারা কারা এই আইনের পক্ষে?” সাধারণ মানুষের ব্যাপক সমর্থন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, স্বাস্থ্য খাতের এই সংস্কারটি বাস্তবায়ন হলে তা দেশের চিকিৎসা ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য হবে।
এখন দেখার বিষয়, নতুন সরকার জনস্বার্থে চিকিৎসকদের ফি পুনর্নির্ধারণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা আইন প্রণয়ন করে কি না।