
বগুড়ার এরুলিয়া বাজারে শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের বাসচাপায় ৭ জন নিহত ও ১৪ জন আহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান পলাতক আসামি বাসচালক মো. নেছারুল ইসলামকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১২।
র্যাব জানায়, গত ৭ আগস্ট ২০২৬ সকাল ৬টার দিকে শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি এসি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-০১৩১) বেপরোয়া গতিতে চালিয়ে এরুলিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে সড়কের পাশে অবস্থানরত ডে-লেবারদের ওপর তুলে দেওয়া হয়। এতে ঘটনাস্থলে ও পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন আরও ১৪ জন।
দুর্ঘটনার পর বাসচালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ৮ আগস্ট বগুড়া সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি নং-৩৭, তারিখ ০৮/০৮/২০২৬; জিআর নং-৬৭৪/২৬ (সদর), ধারা ৯৮/১০৫ পেনাল কোড।
মামলার পর থেকেই চালককে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে আসছিল র্যাব-১২, সিপিএসসি বগুড়া। একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, মামলার প্রধান পলাতক আসামি নেছারুল ইসলাম শিবগঞ্জের দৌহপাড়া এলাকায় আত্মগোপনে রয়েছেন।
এর ভিত্তিতে ২৭ আগস্ট ২০২৬ ভোর আনুমানিক ৪টা ২৫ মিনিটে র্যাব-১২, সিপিএসসি বগুড়ার একটি দল শিবগঞ্জ থানার দৌহপাড়া সৈয়দপুর এলাকায় মো. রশিদের বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানে নেছারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার নেছারুল ইসলাম বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার আগুনিয়া তাইড় গ্রামের মৃত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে।
পরে গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব। জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।