
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে সোনিয়া আক্তার (৩০) নামে এক নারীকে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত জুয়েল সরদার (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ২৯ আগস্ট রাত ২টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে দৌলতদিয়া পতিতাপল্লীর তোফাজ্জল হোসেন তপুর ভাড়া বাসায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত সোনিয়া আক্তার বরিশালের হিজলা থানার চর ভারেয়া গ্রামের বাবুল চৌকিদারের মেয়ে ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন ভোরে সোনিয়ার সহপাঠী আইরিন তাকে ঘরের ভেতর রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত তাকে গোয়ালন্দ ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত জুয়েল সরদারকে গ্রেপ্তার করেছে। জুয়েল সরদার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের হোসেন মন্ডলপাড়া এলাকার নুকু সরদারের ছেলে। সোনিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তসহ পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে পুরো বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একপর্যায়ে ইট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে অচেতন অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়।