1. reporter@youthtvnewsbd.com : reporter :
  2. youthtvnews2019@gmail.com : youthttvnews24 :
গাইবান্ধায় জ্বালানি সংকটে অচল ১৭ ফিলিং স্টেশন, উত্তেজনা-সহিংসতায় বাড়ছে জনদুর্ভোগ - Youth Tv news
৩০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| মঙ্গলবার| সকাল ৮:০৮|
নোটিশ
ইয়ুথ টেলিভিশন এ বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। এছাড়াও জেলা ব্যুরো প্রধান, বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, স্টাফ রিপোর্টার, ক্যাম্পাস  প্রতিনিধি, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার নিয়োগ চলছে। আগ্রহীগণ জীবনবৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভোটার আইডি কার্ডের কপি, নাগরিক সনদের কপি ও সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদ (যদি থাকে) সহ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। মোবাইল: ০১৪০৯-৯৯০৪০০, ০১৯৭২-০৮৪৬৯৬।

গাইবান্ধায় জ্বালানি সংকটে অচল ১৭ ফিলিং স্টেশন, উত্তেজনা-সহিংসতায় বাড়ছে জনদুর্ভোগ

মোঃ আল আমিন, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময়ঃ মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৪ বার

 

গাইবান্ধা জেলায় হঠাৎ তীব্র জ্বালানি সংকটের কারণে একযোগে বন্ধ হয়ে গেছে সাত উপজেলার ১৭টি ফিলিং স্টেশন। পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের সরবরাহ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় পুরো জেলার পরিবহন ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে গাইবান্ধা পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান উজ্জ্বল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। একই দিনে শহর ও বিভিন্ন উপজেলায় খোঁজ নিয়ে সব পাম্প বন্ধ থাকার সত্যতা পাওয়া গেছে।
সংকট নিরসনে জেলা প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে পাম্প মালিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসে। দুপুর তিনটায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শুরু হওয়া ওই বৈঠকে সংকটের কারণ, সরবরাহ ঘাটতি এবং দ্রুত সমাধানের পথ নিয়ে আলোচনা চলছে।
ফিলিং স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, জেলায় প্রতিদিন প্রায় ৭ হাজার লিটার পেট্রোল, ৪ হাজার লিটার অকটেন এবং ৩২ হাজার লিটার ডিজেলের চাহিদা থাকলেও বর্তমানে সরবরাহ এসেছে তার অর্ধেকেরও কম। ফলে স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখা সম্ভব হয়নি।
সংকটকে ঘিরে ইতোমধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন এলাকায়। শহরের দাড়িয়াপুর রোডে একটি ফিলিং স্টেশনে তেল না পেয়ে ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের হামলায় দুই কর্মচারী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শহরের অন্যতম বড় পাম্প এস এ কাদির অ্যান্ড সন্স ফিলিং স্টেশন গত তিন দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তা জানান, পর্যাপ্ত তেল না থাকায় পাম্প চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না। একই চিত্র দেখা গেছে রহমান ফিলিং স্টেশনেও। সংকটের শুরুতে সীমিত আকারে তেল বিক্রি করা হলেও শেষ পর্যন্ত মজুদ ফুরিয়ে যাওয়ায় পাম্প বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, পাম্পগুলো বন্ধ থাকলেও খোলা বাজারে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্রেতার দাবি, প্রতি লিটার তেল ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ভুক্তভোগীরা।
পাম্প মালিকদের দাবি, বাইরের এলাকা থেকে অতিরিক্ত মোটরসাইকেলের চাপ, আতঙ্কে অতিরিক্ত জ্বালানি সংগ্রহ এবং মজুত করার প্রবণতা সংকটকে আরও তীব্র করে তুলেছে। তার ওপর চাহিদার তুলনায় অর্ধেক সরবরাহ পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিবহন ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে এবং জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করবে।
এ বিষয়ে মশিউর রহমান উজ্জ্বল বলেন, “জেলার সবকটি পাম্প এখন বন্ধ। কোথাও পেট্রোল বা অকটেন নেই। শুরু থেকেই চাহিদার অর্ধেক সরবরাহ পাওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।”

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো দেখুন...

Copyright © All rights reserved © 2017 Youth Television News. Design & Development by SA Creative Media 
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com