
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৬ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আব্দুল খালেককে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতীত রেকর্ড অনুযায়ী একসময় তিনি র্যাব-১ এর মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয়েছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।
র্যাব সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত ওই অভিযানে আব্দুল খালেকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয় এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, সেই ঘটনার পরও তিনি ধীরে ধীরে রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় হয়ে ওঠেন এবং বর্তমানে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪৬ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন মাদক সংশ্লিষ্ট অভিযোগে অতীতে গ্রেফতার হওয়া একজন ব্যক্তি কীভাবে নির্বাচনী মাঠে প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও যুব সমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। তাদের মতে এ ধরনের অভিযোগ থাকা ব্যক্তিদের রাজনৈতিক অবস্থান আরও গভীর উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে আব্দুল খালেকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
র্যাব ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র জানায়, পূর্ববর্তী কোনো মামলা বা রেকর্ড থাকলে তা নির্বাচনী ও আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় যথাযথভাবে বিবেচিত হবে।