
আসসালামু আলাইকুম আমি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন পিতা মৃত খলিলুর সরকার উদ্দিন সাং বুজরুক বাড়ীয়া, থানাঃ বগুড়া সদর, জেলাঃ বগুড়া, এই মর্মে বিবৃতি প্রদান করিতেছি যে, আমি পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত ৩. ৩৩ শতাংশ জমি ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত হইয়া দীর্ঘদিন যাবত দোকান ঘর প্রস্তুত করিয়া ভোগ দখল করে আসিতেছি।
আমার অংশের জমিটুকু বগুড়া সদর টু গোলাবাড়ি রাস্তার সংলগ্ন হওয়ায় মূল্যবান সম্পত্তি হইতেছে বটে আমার চাচাতো ভাই মিলন আমার জমির পিছনের অংশে এবং রাস্তা সংলগ্ন কিছু অংশ প্রাপ্য হইয়া বগুড়া ব্র্যাক ব্যাংকের (বড়গোলা শাখা) নিকট হইতে তার দখলীয় প্রায় ২১ শতক সম্পত্তি মর্গেজ রাখিয়া অপকৌশলে বাজার মূল্যের তুলনায় অধিক পরিমাণ অংকের টাকা লোন হিসেবে গ্রহণ করে। তৎপর লোনের কিস্তির টাকা পরিষদ না করায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ অর্থ ঋণ মামলা করিয়া একাধিকবার উক্ত জমি নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করিবার চেষ্টা করলেও দামের সল্পতার কারণে বিক্রি করিতে ব্যর্থ হইয়াছে। উক্ত জমিটি আমার জমির পাশে এবং আমার অংশের জমি রাস্তা সংলগ্ন ১ শতক জমি ব্র্যাক ব্যাংক বিভিন্ন সন্ত্রাসী লোকজনের মাধ্যমে দখল করিবার অপচেষ্টায় ব্যাস্ত আছে। কারণ আমার দখলের এক শতক ফাঁকা জায়গা ব্যাংক গ্রহণ করিলে মরগেজ কৃত জমিটির মূল্যবান বৃদ্ধি পাইবে। সন্ত্রাসী লোকজন উক্ত জমি ব্র্যাক ব্যাংকে দখল করিবার প্রতিশ্রুতি দিয়া মোটা অংকের টাকা হাতিয়া নিয়াছে এবং আমাকে বিভিন্ন সময় উক্ত জমি হইতে বেদখল করিবার প্রচেষ্টায় লিপ্ত আছে।
এমত অবস্থায় গত ২৭/০৭/২০২৫ তারিখ আমি আমার গাড়ি বিক্রি করিবার জন্য ২ লক্ষ টাকা বায়না হিসেবে গাড়ী ক্রেতার নিকট হইতে গ্রহণ করি। উক্ত টাকা ব্যাগে করিয়া ব্যাংকে জমা দেবার উদ্দেশ্যে আমার নিজ বাড়ি হইতে বাহির হইয়া ব্যাংকে যাবার পথে নালিশী সম্পত্তির সামনে উপস্থিত হওয়া মাত্র দেখি সন্ত্রাসী লোকজন অর্থৎ মোঃ ইব্রাহিম হোসেন আকু মিয়া (৪৮), পিতাঃ মৃত মকবুল সরকার, মোঃ জিয়া (৫২), পিতাঃ স্নানু, মান্নান মিয়া, (৫৩) পিতাঃ মৃত আফছার, মোঃ সামছুল, (৫৮) পিতাঃ মৃতঃ ময়েন উদ্দিন, মোঃ মিলন সরকার, (৪৮) পিতা মৃতঃ ময়েন উদ্দিন, মোঃ কামরুল ফকির, (৪৭) পিতাঃ মৃতঃ কাশেম ফকির অস্ত্রশস্ত্র লইয়া উক্ত জমিতে হইচই করিতেছে আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হইলে আকু নামের ব্যক্তি আমার কানে কানে বলে আমাদের পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দিলে এই জমি তোমার হইবে অন্যথায় উক্ত জমি আমরা দখল করিয়া লইয়া ব্র্যাক ব্যাংকে বুঝিয়া দিব তোমার করার কিছু থাকিবে না।
বর্তমানে আইন আদালতে গিয়েও আমাদের বিরুদ্ধে কোন প্রতিকার পাইবেনা। তারপুর আমার নিকট থাকা ব্যাগ সহ ২ লক্ষ টাকা সামছুল হিনায়া লয় এবং মিলন আমাকে ধাক্কা নিয়ে মাটিতে ফেলিয়া দিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে গলা চাপিয়ে ধরিয়া শ্বাসরোধ করিয়া হত্যা করার চেষ্টা করে এবং আমার নিকট থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। জামি কোন রকম ধাক্কা দিয়া প্রাণ রক্ষা পাইএবং চিৎকার দিলে এলাকার লোকজন এগিয়ে আসে। তৎপর আমি তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছি যাহা তদন্তাধীন আছে।
এমতাবস্থায় আমি এলাকার সন্ত্রাসী লোকের হুমকির মুখে প্রাণের ভয়ে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করিতে পারিতেছি না। কে কখন আমাকে প্রাণে মেরে ফেলিবে তাহার কোনো নিশ্চয়তা নাই। এবং আমার তফসিলভুক্ত সম্পত্তি যেকোনো মুহূর্তে সন্ত্রাসী লোকজন দখল করিয়া লইবে মর্মে আতঙ্কে জীবনযাপন করিতেছি। বর্তমানে আমি অত্র বিবৃতির মাধ্যমে দেশের জনগণ দেশের প্রশাসন এবং দেশের বিচার বিভাগের নিকট আমি ন্যায় বিচার প্রাপ্তির জোর দাবি জানাচ্ছি ইতিপূর্বে উক্ত ভূমি দস্যু, চাঁদাবাজ আৰু বিভিন্ন সময় প্রভাবশালী বিভিন্ন দলের প্রভাবশালী বিভিন্ন নেতাদের বাড়ীতে অফিসে উপস্থিতি দেখা যায়।
এই ঘটনার কয়েক বৎসর পূর্বে এই আৰু মিলন, হামহুল, মান্নান, অন্য আরেক দল সন্ত্রাসী আমার বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়। আমার এই ৬১১ দাগের জমি তাদের লিখে না দিলে হত্যার হুমকি দেয়। যার প্রেক্ষিতে আমি থানায় অভিযোগ দিলে কোনো প্রতিকার না পেয়ে ২০/০৭/২০২২ইং তারিখ পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দেই। পুলিশ সুপার মহোদয় কোর্টে প্রেরণ করে। কোর্ট থানায় তদন্ত দেয়। এবং তার আর কোন প্রতিকার হয়না। এ ভাবেই অপরাধীরা উৎসাহিত হয়। এই কুখ্যাত ভূমি দস্যু আব্ৰু ইতি পূর্বে রাস্তার নামে আমার বাড়ীর জায়গা দখল করতে এসেছিল এবং ৯০ খানা মটরসাইকেল ও ২ খানা কারগাড়ী সহ তৎকালিন নারুলী পুলিশ ফাড়ির টি, এস, আই আনিস তাহাদের আটক করেছিল। এবং আজুকে পুলিশ উত্তম মাধ্যমের ভয়ে দাঁড়ায়ে প্রস্রাব করিয়েছিল। তাছাড়া এই সব অপরাধী কুচক্রি তাদের সমাজে বিভিন্ন হিনো ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের জন্য এক খানা সংগঠন তৈরী করে যা মালেকা আফহার ফাউন্ডেশন নামে চালায়। এখানে লক্ষ লক্ষ টাকা বিভিন্ন জায়গা থেকে চাঁদা উত্তলন করে। যথাযত কর্তৃপক্ষের দৃষ্টির আড়ালে অল্প পরিসরে গোপনিয়তা বজায় রেখে নাম মাত্র বিতরণ করে থাকে। অবশিষ্ট সিংহভাগ অর্থ এইসব হীন ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের জন্য ব্যায় করে থাকে। এবং বিভিন্ন অপরাধ করার সংঘবদ্ধ ও বিশ্বস্থ্য থাকার চেষ্টায় বিবাদীগণ একে অন্যের সাথে একাধিক সম্পর্কে সম্পর্কিত, যেমন মান্নান এবং মিলন সম্পর্কে চাচাতো ভাই আবার আপন বিয়াই এবং বোন জামাই আবার ছোট ভাইয়ের ভায়রা। তাই তারা কুচক্রি ও আইন শৃঙ্খলার তোয়াক্কা করেনা। পরোধন লোভী, চাঁদাবাজ হয়ে উঠেছে।
বিগত কিছু বছর পূর্বে বগুড়া সাত মাথায় তাদের বিভিন্ন অপকর্মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন হয়েছিল। এবং আমি এই মর্মে দাবি জানাচ্ছি যে যদি আমার অপমৃত্যু হয় তার জন্য মোঃ ইব্রাহিম হোসেন ও আকু মিয়া (৪৮), পিতাঃ মৃত মকবুল সরকার, মোঃ জিয়া (৫২), পিতাঃ ল্লালু, মান্নান মিয়া, (৫৩) পিতাঃ মৃত আফছার, মোঃ সামছুল, (৫৮) পিতাঃ মৃতঃ ময়েন উদ্দিন, মোঃ মিলন সরকার, (৪৮) পিতা মৃতঃ ময়েন উদ্দিন, মোঃ কামরুল ফকির, (৪৭) পিতাঃ মৃতঃ কাশেম ফকির গন দায়ী থাকিবে বা আমার পরিবারের ওপর কোনো রকম হামলা হইলে তাহার জন্য আৰু মিলন সহ সন্ত্রাসী শ্রেণীর লোকজন দায়ী থাকিবে এই বিবৃতি দেওয়ার পর যে কোন মুহূর্তে আমার ওপর হামলা হইলে তাহার জন্য সন্ত্রাসী লোকজনকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি। সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে আমার আজকের এই বিবৃতি সমাপ্তি করছি।