
নেপালে সম্প্রতি আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৬ আগস্ট) এক শোক বার্তায় তিনি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এবং দেশটির জনগণের প্রতি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রী তার শোকবার্তায় বলেন, এই মর্মান্তিক বিপর্যয়ে আমি গভীরভাবে ব্যথিত। প্রিয়জন হারানো পরিবারগুলোর প্রতি আমার গভীর সহমর্মিতা রইল এবং নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করছি। দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে নেপালের পাশে বাংলাদেশ আছে এবং যেকোনো প্রয়োজনে সহায়তার জন্য সরকার প্রস্তুত রয়েছে।
দেশটিতে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জনে দাঁড়িয়েছে। নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত পর্যন্ত ১৫৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে, যার মধ্যে ২৮ জন পুলিশ সদস্যও রয়েছেন। বুধবার তিব্বত সীমান্তবর্তী পার্বত্য অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার তোড়ে গ্রাম, সড়ক, সেতু এবং বিভিন্ন বিদ্যুৎ প্রকল্প ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্গত এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।
বন্যায় পর্যটন খাতেও বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, প্রায় ৪০৩ জন পর্যটকের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না, যাদের মধ্যে ৩৪১ জনই বিদেশি নাগরিক। নিখোঁজ বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে ১৪২ জন ভারতের নাগরিক। এছাড়া অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরাও নিখোঁজদের তালিকায় রয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই সঙ্গে দুর্যোগের এই সংকটময় মুহূর্তে নেপালকে যেকোনো প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বাংলাদেশ সরকার প্রস্তুত রয়েছে বলে বার্তা দিয়েছেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমাদের চিন্তা ও প্রার্থনা প্রিয়জন হারানো সেসব পরিবার ও মানুষের সাথে রয়েছে, যাদের এই অপূরণীয় ক্ষতি বহন করতে হচ্ছে।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রসঙ্গত, নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জনে দাঁড়িয়েছে।