
যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে। ২০২৮ সালে দেশটিতে ৬১তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মার্কিন নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, প্রতি চার বছর অন্তর নভেম্বর মাসের প্রথম মঙ্গলবার এই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। সেই নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৮ সালের ৭ নভেম্বর পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত রয়েছে। এই নির্বাচনে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী ভোটাররা ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নতুন কাউকে নির্বাচিত করবেন।
নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরুর আগেই রাজনৈতিক অঙ্গনে তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে। আগামী ২০২৭ সাল থেকেই নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক আমেজ বা নির্বাচনী বাজনা শুরু হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই বছরের শুরু থেকেই সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাদের চূড়ান্ত প্রচারণায় মাঠে নামবেন। প্রার্থীদের বিভিন্ন প্রচারণা এবং বিতর্কের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে শেষ পর্যন্ত ২০২৮ সালের ৭ নভেম্বরের সেই মাহেন্দ্রক্ষণটি আসবে।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য ২০২৮ সালের এই নির্বাচনটি বড় ধরনের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিজের রাজনৈতিক প্রভাব-বলয় অটুট রাখা এবং দলের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার বিষয়টি এখন তার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যে বিশেষ লক্ষ্য ও চিন্তাভাবনা নিয়ে তিনি তার রাজনৈতিক কার্যক্রম বা যুদ্ধের সূচনা করেছিলেন, তা শেষ পর্যন্ত সেভাবে সফল হয়নি। এই বাস্তবতায় নিজের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার কে হবেন, তা নিয়ে এখন থেকেই জোর আলোচনা চলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নিজের প্রভাব বজায় রাখার কৌশল হিসেবে ট্রাম্প এখন তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী তৈরির দিকে মনোযোগ দিয়েছেন। এই সূত্র ধরেই ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের নাম জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে। ট্রাম্পের অনুসারী ও রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, ডোনাল্ড জুনিয়র পিতার রাজনৈতিক আদর্শ ও প্রভাবকে সামনে এগিয়ে নিতে সক্ষম হবেন। তবে ২০২৭ সালে নির্বাচনী প্রচারণার আনুষ্ঠানিক সূচনা হলে এই সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে। ট্রাম্পের এই উত্তরাধিকার ভাবনা মার্কিন রাজনীতির ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখন দেখার বিষয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৪ বছর পরপর, সব সময় নভেম্বর মাসের প্রথম মঙ্গলবার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যে চিন্তা মাথায় নিয়ে যুদ্ধ শুরু করেছিলেন, সে ভাবনা কাজে লাগেনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দলীয় মনোনয়ন পেতে প্রাইমারিতে নেমে নিজ দলীয় মনোনয়ন প্রার্থীদের হারিয়ে বিজয়ী হতে হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর পরও দলের মনোনয়নবঞ্চিত দু-একজনকে চূড়ান্ত ভোটযুদ্ধে মোকাবিলা করতে হয় অনেক সময়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর পরে তো প্রতিপক্ষ দলের প্রার্থীরা আছেনই। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিতর্ক, জনমত জরিপের ফল নিয়ে বহুমুখী আলোচনা হবে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসারে দুবারের অধিক কোনো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।