
যশোর জেনারেল হসপিটালের ওভার ব্রিজের নিচে এক যুবক মারা যায়।ছেলেটির পরিচয় ছিলো অজানা তার জীবন কাহিনী কেউ জানতোনা আশ্রয় হয়েছিলো ঠান্ডা ঘরে হয়তো ২/৩ দিন পরে অজ্ঞাত হিসাবে দাফন।
অজ্ঞাত ছেলেটির ব্যাপারে ম্যাসেজ পাওয়া মাত্র যশোর পিবিআই পুলিশের ইনেসপেক্টর ইমামুল হোসেন নেতৃত্বে পিবিআই পুলিশের একটি টীম ঠান্ডা ঘরে এসে ছেলেটির ফিঙ্গার প্রিন্ট ও পুলিশি কলাকৌশলে তার পরিচয় শনাক্ত করে। অজ্ঞাত ছেলেটির বাসা পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার ব্যাসকাঠি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে তাহসান আহমেদ। পিবিআই পুলিশের ইনেসপেক্টর ইমামুল নিজ উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশের সাহায্যে তার পরিবারকে তাহসানের ব্যাপারে জানায়।আমাদের পেজ থেকে তাহসানের ব্যাপারে পোস্ট করলে তার বাড়ির পাশের একজন ভদ্র মহিলা আমাদের সাথে যোগাযোগ করে। সেই ভদ্র মহিলার মাধ্যমে জানতে পারি তাহসান ছেলেটি এসএসসিতে গোল্ডেন এ+ পেয়েছিলেন। পিতা নুরল ইসলাম মৃধা পুলিশে চাকরি করতেন বেশ কিছু দিন আগে তিনি মারা যান।স্বামীর শোকে তাহসানের মা এখন বিছানায়। তাহসান ও তার মা স্বরুপকাঠি রাজবাড়ি ডিগ্রি কলেজের পিছনে নানা বাড়িতে বসবাস করতেন। ২ বছর যাবত তাহসান ছিলো ক্যান্সারের রোগী তাহসানের অবস্থা বুঝতে পেরে তাহসানের পুত্র সন্তান নিয়ে তার স্ত্রী তাহসানের শ্বশুর বাড়িতে চলে যায়।ঘটনাটি যে ভদ্র মহিলা জানিয়েছেন তিনি এই ঘটনা প্রকাশ করতে অনুরোধ করেছিলেন ভদ্র মহিলা জানান তাহসানের জন্য তার মন খারাফ কারন ৫/৬ মাস আগে তাহসান খাবারের জন্য তার কাছে টাকা চেয়েছিলেন কিন্তু দিতে না পারার জন্য তিনি দারুন ব্যথিত। গতকাল সকালে তাহসানের সম্পর্কে মামা ও এক চাচাতো ভাই যশোরে এসে তাহসানের দেহ নিয়ে যান পিরোজপুর সেখানেই তার বাসায় দাফন করবেন এমন কথা জানান।