
মো: ইমরান মোল্লা,নিজেস্ব প্রতিবেদক: খুলনা বিভাগে খুনি এরশাদ শিকদারের মতো গড়ে উঠেছে ,আরেক শিষ্য সস্ত্রাস জুলফিকার । কে এই জুলফিকার ? নড়াইলের কাঠাদুরা গ্রামের বালাম মোল্লার ছেলে জুলফিকার । পাশ্ববর্তী নদীঐপারের এলাকা ডুমুরিয়া মৃত আতিয়ার রহমানের মেয়েকে অস্ত্র ঠেকিয়ে জোড় পূর্বক বিয়ে করে জুলফিকার। টাকার বিনিময়ে মানুষ খুন করা ছিলো তার পেশা । সব কিছু যেনে গেছে হাসিনা। জুলফিকার ছিলো নারী_পাচার কারী নুসরাত ওতার স্বামী উবাই ফকির এবং শরোজীত দাশ সহ সেই দলের সদস্য । অবুজ মোন মানতে চাই না জটিলতা। তাই বুঝতে পারেনা তাদের চালাকি। হাসিনা কে গ্রাম থেকে সঙ্গে করে নিয়ে যায় নুসরাত উবাইও শরোজীত। পরবর্তী এলাকায় গিয়ে মুখে মারে মেডিসিন ।জ্ঞান হারা হয়ে যায় হাসিনা। এভাবে পার হয় যশোর চৌগাছা। তখনই বন্ধ হয় মোবাইল ফোন। ফেরে তাহার রাতে জ্ঞান। কথা হয় বড় বোন ছোট ভাই সহ মায়ের সঙ্গে । এই ই ছিলো হাসিনার শেষ কথা। সাড়া জীবনের মতে বন্ধ হলো হাসিনার মোবাইল ফোন। নারী পাচার চক্র তুলে দেন হাসিনাকে জুলফিকারের হাতে।সাড়া জীবনের জন্য মৃত্যুর স্বাধ পেলো হাসিনা। এখনো নাই তাহার কোনো সন্ধান। জুলফিকারের রয়েছে বিভিন্ন মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ক। রয়েছে একাধিক বিবাহ ও সন্তান। পুরো এলাকা যেনো থকমে গেলো।ভয়ে মুখ খুলতে রাজি না এলাকা বাসী। তেমনই ভাবে তাহার নির্মণ বর্বরতার স্বীকার হয়েছে হাসিনা বেগম। গ্রামের এক সহজ সরল মেয়ে হাসিনা। ৫ দিন ধরে নিখোজ রয়েছে হাসিনা। অভিযোগ দায়ের করা হয় ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানায় ,ও নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানায় । প্রশাসননের সু_ দৃষ্টি কামনা করছি, যতো দ্রত সম্ভব নিখোন হাসিনাকে উদ্ধার করেন এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্ঠান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করুন।