
মোঃমুজাহিদুল ইসলামঃ গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন ৪৫ নং ওয়ার্ড পূর্ব আরিচপুর নদীরপাড় ডাক্তার আলী আকবরের মেয়ে নামধারী সাংবাদিক শামীমা খানম বেবী ও তার স্বামী মোঃ রেজাউল করিম ওরফে হিরণের নামে বর্তমান টঙ্গী পূর্ব থানায় ৪ টি ওয়ারেন্ট সাথা সত্ত্বেও টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়,নামধারী সাংবাদিক শামীমা খানম বেবী টঙ্গী, গাজীপুর, উত্তরা সহ বিভিন্ন জায়গাতে সাংবাদিকতার আইডি কার্ড ঝুলিয়ে চাঁদাবাজী করে বেড়ায়। গত ২০২১ সালে শামীমা খানম বেবী ও তার স্বামী হিরণের নামে গাজীপুর বিজ্ঞ আদালতে ৮ জন বাদী হয়ে ৮ টি চাঁদাবাজী মামলা দায়ের করেন। এই মামলাতে গত বছর ২৫ দিন জেল খেটে জামিনে আসেন। জেল থেকে বাহির হয়ে সে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে। গত বছর পূর্ব আরিচপুর সায়েদ আলীর কাছে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে, সেই টাকা না দেওয়ায় সায়েদের আত্মীয় শিউলী বেগমকে ব্যাপক মারধর করে দাঁত ভেঙ্গে ফেলে। পরে নামধারী সাংবাদিক শামীমা খানম বেবী ও তার মায়ের নামে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি মামলা হয়। সেই মামলাতে মা মেয়ে ২ জনে প্রায় ১ মাস জেল খেটে বাহির হয়। বর্তমানে চীপ মেট্রোপলিটন ম্যাজিট্রেট আদালত এর ৪ টি মামলায় ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী মামলাগুলো হল সি আর মামলা নং-৫২৪/২০২১, ৬৮৩/২০২১, ৬৮৪/২০২১ ও ৬৮৫/২০২১ ধারা- ৪০৬,৫০৬,৩৪ কিন্তু টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করতে গেলে তারা অন্য আইডি কার্ড দেখিয়ে নিজেদেরকে সেফ করে। ২০২১ সালে ঐ মামলাগুলো প্রতিবেদন আদালতে জমা দেন এস আই ফরহাদ হোসাইন। তিনি আসামীর নাম ঠিকানা যাচাই বাচাই না করেই তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেন। বাদীরা জনান এস আই ফরহাদ হোসাইন স্যার কি কারনে যাচাই বাচাই না করে, কেন তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দিলেন? এ বিষয়ে তৎকালীন তদন্ত কর্মকর্তা এস আই ফরহাদ এর মুঠোফোনে একাধিক বার কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। গাজীপুর জজ কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী এডভোকেট জি এম ইব্রাহিম হোসেন সাথে কথা হলে তিনি প্রতিবেদকের নিকট ভারাক্রান্ত মন নিয়ে প্রশ্ন রাখেন যে, পুলিশ যদি বিজ্ঞ আদালতের গ্রেফতারী পরোয়ানা পেয়েও আসামী গ্রেফতার না করেন, তবে সাধারণ জনগন আর কোথায় ন্যায় বিচার পাবেন? তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। এদিকে টঙ্গী পূর্ব থানার ওয়ারেন্ট অফিসার এস আই মিজানুর রহমান এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন শামীমা খানম বেবীর নামে ৪টি ওয়ারেন্ট আছে স্বামীর নাম ভুল থাকার কারণ গ্রেফতার করা যাচ্ছে না।তবে আমরা উদ্বর্তন কর্মকর্তার নির্দেশ পাইলে গ্রেফতার করতে পারবো।