
বৈষম্যবিধি ছাত্র আন্দোলন এর ব্যানারে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক আন্দোলন শুরু হয় গত ১ জুলাই হতে বিক্ষোভ শুরু হয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ,জগন্নাথ, রাজশাহী ও রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সহ আরো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়। এ আন্দোলন বেগবান হয় ১৪ জুলাই রাত থেকে শেখ হাসিনার মন্তব্য নিয়ে ফুলে ফেঁপে উঠে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। উত্তপ্ত হতে থাকে আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ সমাবেশ ।এই সহিংসতায় প্রথম মৃ’ত্যু হয় ১৬ জুলাই। এরপর বাড়তে থাকে সহিংসতা। বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, গত ৫ আগষ্ট পর্যন্ত এ আন্দোলনে মৃ’ত্যু হয়েছে অন্তত ৪৫০ জনের। এই উপলক্ষে খুনি ও স্বৈরাশাসক পতন, বাংলাদেশ পূর্ণ স্বাধীনতা স্থাপনে এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারী ছাত্র শহীদ আবু সাঈদসহ সকল শহীদ ছাত্র জনতার আত্মার মাগফেরাতের কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান হয় আজ ৯ আগস্ট ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ জুমার নামাজের শেষে। ৩ নং তিলাই ইউনিয়নের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার পক্ষে বক্তব্য রাখেন তারা বলেন যে , বাংলাদেশের যে স্বৈরা শাসকদের উৎপাত চলছে এবং “ধর্মীয় কিংবা রাজনৈতিক কারণে কোন ব্যক্তি বা গোষ্টীর প্রতি প্রতিশোধ কিংবা প্রতিহিংসা পরায়ন হবেন না। সংখ্যালঘু জনগোষ্টী কোনভাবেই যেন হেনস্থার শিকার না হন, সেটি নিশ্চিত করা আপনার আমাদের সবার দায়িত্ব।” এবং আরো বলেন সবাই একসাথে মিলেমিশে কাজ করার আহ্বান জানান। আয়োজন করে স্থানীয় বিষম বিরোধী ছাত্র-জনতা আনন্দবাজার ,পশ্চিম ছাট গোপালপুর ,ভুরুঙ্গামারি কুড়িগ্রাম।