
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের তৃণমূল পর্যায়ে আটমূল ইউনিয়নের সভাপতি রাকিব হাসান ও সাধারণ সম্পাদক শিহাব। তারা দুঃসময়ে ঘর ছেড়ে তবুও ছাত্রদল ছাড়েনি। যখন ১৭ বছর ধরে স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকার দেশকে তাদের হাতে জিম্মি করে রেখেছিল। বিএনপির সহ তাদের অঙ্গসংগঠনকে নানা ভাবে দমিয়ে রাখার জন্য প্রশাসন থেকে শুরু করে তাদের নিজস্ব বাহিনী ছাত্রলীগ দিয়ে নির্মম নির্যাতন করেছে। তখনও মামলা-হামলা শিকার হয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অার্দশকে বুকে ধারণ করে দল ও দেশকে ভালোবসে আটমূল ইউনিয়নের তৃণমূল থেকে রাজনৈতিক কার্যক্রম পালন করেছেন তারা৷ এমনি তারা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সরাসরি নেতৃত্ব দিয়ে স্বৈরশাসক হাসিনার পতন ঘটিয়েছে। তবে ৫ আগষ্টের পর দেশের রাজনৈতিক পটভূমি পরিবর্তনের সাথে সাথে সব ক্ষেত্রে সুবিধাবাদীদের দৌড়-ঝাপ শুরু হয়েছে। এতে করে ত্যাগী নেতাকর্মীরা সকল দিক থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
অথচ সুবিধাবাদী নেতাকর্মীদের সর্বমহলে দেখা যাচ্ছে দৌরাত্ম।
তাদের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুযোগ দিতেই মারিয়া হয়ে উঠেছে আটমূল ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীরা। এই বিষয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মীর মইননুর রহমান মুন বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল একটি আদর্শিক ছাত্র সংগঠন। আমরা তৃণমূল থেকে ত্যাগী নেতাকর্মীদের প্রধান্য দিয়ে সংগঠন আরো শক্তিশালী করবো। এখানে সুবিধাদের কোনো স্থান নেই৷ যে সকল নেতাকর্মীরা সুবিধাদীদের প্রাধান্য দিবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে সে বিএনপির যে ইউনিটের হোক না কেন। শিবগঞ্জ উপজেলা আটমূল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হাসান বলেন, ৫ আগষ্টের পর ছাত্র রাজনীতিতে সুবিধাবাদী দৌরাত্ম শুরু হয়েছে। যারা দুঃসময়ে দলের সাধারণ কর্মী হিসাবেও ছিল না। তাদের মূল্যায়িত না করে ত্যাগী নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ করার অনুরোধ করছি। সাধারণ সম্পাদক শিহাব বলেন, আমি আন্দোলন শেষ দিকে রাজপথ থেকে হয় গ্রেপ্তার হয় তারপর ৬ আগষ্ট স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর মুক্তি পায়।স্বৈরাচার পতনের পর থেকে সুবিধাবাদীরা মীর জাফরের মতো নিজের মধ্যে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সুবিধাবাদিরা ইউনিয়ন বিএনপির পরিচয় দিয়ে সব ক্ষেত্রে মারিয়া হয়ে উঠেছে। এতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আটমূল ইউনিয়ন বিএনপি নিরব ভূমিকা পালন করছে। আমরা ছাত্রদলের আদর্শের রাজনীতি করতে চাই। এতে দুঃসময়ের ত্যাগী নেতাকর্মীদের সাথেই নিয়ে রাজপথে থাকবো।