
বগুড়ায় রুবেল মাহমুদ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে শেরপুর থানা আমলী আদালতে বাদী হয়ে জাতীয় দৈনিকে একুশে বাণী পত্রিকার পরিচয় দেওয়া ও একাধিক পত্রিকার কার্ড ধারী সাংবাদিক রুবি আক্তার উর্মি সহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।
মামলার নাম্বার ১৯৫সি/২০২৫ইং (শেরপুর) বগুড়া এবং মামলাটি তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আদেশ অনুযায়ী তদন্ত দেয়া হয় বগুড়া ডিবি কার্যালয়ে। বগুড়ার শেরপুর উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের ফুলতলা গ্রামের রুবেল মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান বিবাদী দরিমুকুন্দ গ্রামের সাংবাদিক রুবি ওরফে উর্মি আক্তার, বিপ্লব শেখ, উর্মিলা বেগম, মোঃ সোহান, খলিলুর রহমান, ওমর আলী শেখের বিরুদ্ধে গত ২৫/০৩/২০২৫ ইং মামলা করে। মামলার বাদী সহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তির মাধ্যমে জানা যায় বিবাদীগণ একে অপরের ঘনিষ্ট ব্যক্তি এবং সকলেই ঝগড়াটে, শান্তি শৃংখলা ভঙ্গকারী, চাঁদাবাজ, হুমকি প্রদানকারীব্যক্তি। একাধিক কার্ড ধারী সাংবাদিক রুবি ওরকে উর্মি আক্তার বর্তমানে একটি স্বনামধন্য পত্রিকা যার নাম দৈনিক একুশের বাণী। এই পত্রিকার সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেন। পত্রিকার সম্পাদকের মাধ্যমে জানা যায় পত্রিকাটি বিক্রি হয়ে গিয়েছে তারপরেও যদি কেউ বেআইনিভাবে কার্ড ব্যবহার করে তাকে আইনের আওতায় আনতে বলেন। তিনি আরো বলেন উনি সাংবাদিক হলেও এই পত্রিকার সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই আমরা নতুন করে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছি এ ব্যাপারে আমাদের পত্রিকা ফলো করতে পারেন। স্থানীয় এক প্রতিবেশী এবং মামলার সাক্ষী মোঃ আমিনুর ইসলাম জানান তারা পরস্পর সহযোগিতায় দীর্ঘদিন যাবৎ বাদীর নিকট থেকে তিন লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে আসিতেছিলো। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীগণ বিভিন্ন ধরনের হুমকি সহ মৃত্যুর ভয় দেখায়। চাঁদা না দিলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙ্গচুর করবে, আগুনে পুড়ে দিবে বলে। বাদী চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে বিপ্লব শেখ বলে, চাঁদা না দিলে তাকে হত্যা করবো। একই সঙ্গে মারপিট করার জন্য আক্রমন করলে বাদিকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য চিৎকার করলে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসেন এবং অনেকেই ঘটনাটি শুনেছে ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করতে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীগণ বিভিন্ন ধরনের হুমকি সহ মৃত্যুর ভয় দেখায়। চাঁদা না দিলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙ্গচুর করবে, আগুনে পুড়ে দিবে বলে। বাদী চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে, বিপ্লব শেখ বলে চাঁদা না দিলে তাকে হত্যা করবো। একই সঙ্গে মারপিট করার জন্য আক্রমন করলে বাদিকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য চিৎকার করলে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীগণ দ্রুত ঘটনার স্থান ত্যাগ করে। বাদী রুবেল মাহমুদ বলেন তাহাদের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গেলে থানা কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করতে বলে। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করা ঠিক কিনা এই প্রশ্নের দাবি তুলে ধরেন গণমাধ্যম কর্মীর সামনে। বাদীর পিতা: মো: সোবাহান (৬০) জানান আমার ছেলে বিবাদীদের চাপে আতঙ্কে আছে, কারণ তারা দেশীয় অস্ত্র শয্যায় সজ্জিত ভাবে বেআইনি জনতা দলবদ্ধ হয়ে থাকে সব সময়। এতে করে আমার ছেলে ব্যবসায় মনোযোগী হতে পারছে না এবং আমার পরিবারের সকলেই ভীতি কর অবস্থায় জীবন যাপন করিতেছি কারণ বিবাদীপক্ষ যে কোন মূহুর্তে বাদীর জীবন কেড়ে নিতে পারে। সাংবাদিক উর্মীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান আমি অনেকগুলো পত্রিকায় কাজ করি আমার নামে মামলা হলে তা আমি দেখে নেব আপনি কেন আমাকে এ বিষয়ে বলছেন, এগুলো নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে আপনাদের নামে মামলা দিতে পারব সে ক্ষমতা আমার আছে। এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা গণমাধ্যম কর্মীকে জানান ওই সাংবাদিক সহ আরো পাঁচজন এর নাম উল্লেখ করে একটি চাঁদাবাজি মামলা হয়েছে যা তদন্তধীন আছে, তিনি আরো বলেন তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।