
বগুড়ায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মিছিলে ককটেল বিস্ফোরন ও পেট্রোল বোমা নিক্ষেপসহ হত্যার অভিযোগে পৃথক মামলায় বগুড়া পৌর সভার ৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর (কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত) যুবলীগের বহিস্কৃত নেতা কারাবন্দী আব্দুল মতিন সরকারকে ৩টি মামলায় এবং ১০ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আরিফর রহমান আরিফকে ১ মামলায় পুনঃ গ্রেফতার (শোন এ্যারেস্ট) এর আদেশ দেয়া হয়েছে।
সেই সাথে ওই মামলায় হাজতি পরোয়ানা মুলে ওই ২ আসামিকে কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে।
ওই মামলায় পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তাগন ওই আসামিদেরকে পৃথক ৩ টি মামলায় পুনঃ গ্রেফতারের জন্য সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বগুড়া সদর আমলী আদালতে আবেদন করেন।
পি ডাব্লিউ মুলে ওই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান গতকাল রোববার ওই আবেদন শুনানী অন্তে ওই আসামিদেরকে পুনরায় গ্রেফতারের আদেশ প্রদানসহ হাজতি পরোয়ানা মুলে কারাগারে প্রেরনের আদেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানাগেছে, গত বছরের ১৮ জুলাই বেলা সাড়ে ১০ টার দিকে শহরের কামারগাড়ী পান্না হোন্ডা সার্ভিসের সামনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র- জনতার আন্দোলনের ছাত্র জনতার মিছিলে ককটেল বিস্ফোরন ও পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ সহ হত্যার অভিযোগে মামলায় আসামি আব্দুল মতিন সরকার এবং আসামি আরিফুর রহমান আরিফকে পুনরায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এই মামলার বাদি কে এম সাইফুর রহমান।
অপিরদিকে শহরের নবাববাড়ী সড়কে বিএনপি, ছাত্রদল ও কৃষক দলের অফিসে গত বছরের ১৬ জুলাই সন্ধ্যা পৌনে ৭ টার দিকে আসামিরা হামলা চালিয়ে মারপিট সহ ককটেল বিস্ফেরনের অভিযোগ দায়েরকৃত মামলায় আসামি আব্দুল মতিন সরকারকে পুনঃ গ্রেফতার দেখানো হয়। এই মামলাটি দায়ের করেন বিএনপি’র দপ্তর সম্পাদক রহিমা খাতুন মেরী।
এছাড়াও গত ৪ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে বগুড়া শহরের ঝাউতলা বড়গোলা সড়কের উপর আন্দোলনরত ছাত্র জনতার মিছিলে আসামিরা হামলা চালিয়ে ককটেল বিস্ফোরন, মারপিট গুলি ছুরে বগুড়া শহরের বৃন্দাবনপাড়ার শিমুল হত্যা মামলায় আসামি আব্দুল মতিন সরকারকে পুনরায় গ্রেফতার দেখানো হয়। নিহত শিমুলের স্ত্রী শিমু বেগম বাদি হয়ে ফ্যাসিবাদ সাবেক প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগের বগুড়া জেলা সভাপতি মজিবর রহমান মজনু ও সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু সহ নিষিদ্ধ ঘোষিদ্ধ আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মী ১৩৫ জনের নোম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত নামা আরো ৩শ’ থেকে ৪শ’ জনকে আসামি করে এই মামলা দায়ের করেন।