
গত ৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুর অনুমান ১২ ঘটিকায় শিবগঞ্জ ও কাহালু থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে বগুড়ার প্রথিযশা সাংবাদিক শামসুল হক কে একটি প্রহসন মামলায় গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।
বগুড়া’র কাহালু থানা বন্দরে চারমাথা মোড় থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে বলে প্রত্যেক্ষ দর্শীরা জানিয়েছেন।
সাংবাদিক শামসুল হক গ্রেফতারের ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে সঞ্চার হয়েছে। মামলা এজাহারের বর্ণনার মতে জানা গেছে, অত্র মামলার বাদী মো: হারুন সরকার, পিতা: মো: মফিজ সরকার এর বাড়ী শিবগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রাহাটা এলাকায়। আর সাংবাদিক শামসুল হক এর বাড়ি কাহালু উপজেলায়।
আরও জানা গেছে, বাদীর সাথে সাংবাদিক শামসুল হকের পূর্বের কোন পরিচয় বা সখ্যতা ও কোন শত্রুতা নেই।
এছাড়াও বগুড়া কাহালু এলাকায় হেভি ওয়েট সম্পূর্ণ ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী থাকলেও তাদেরকে আসামির তালিকায় নেওয়া হয়নি। আসামির তালিকায় রয়েছে শুধু বগুড়া কাহালু এলাকার নিরীহ প্রথিযশা সাংবাদিক শামসুল হক।
এলাকাবাসীর একটি সূত্র জানায়, গত এপ্রিল/ ২০২৫ ইং তারিখে স্থানীয় প্রভাবশালী এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ইয়ুথ টিভি নিউজ ও Md samsul haque নামে আইডিতে সংবাদ প্রকাশ হয়। উক্ত প্রকাশিত সংবাদের জের ধরে গত ২০শে এপ্রিল /২০২৫ ইং তারিখে রাতে কতিপয় সন্ত্রাসী সাংবাদিক শামসুল হক কে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করে। উক্ত লাঞ্চিত করার ঘটনার প্রেক্ষিতে সাংবাদিক শামসুল হক থানায় মামলা করতে গেলে, বগুড়া কাহালু থানার সাবেক ওসি (বর্তমানে শিবগঞ্জের ইনচার্জ ) শাহীনুজ্জামান (বিপি নং ৮২১১১৩৭০১৫) মামলা না নিয়ে সাংবাদিক শামসুল হককে ফেরত দেয়।
এতে করে স্থানীয় প্রভাবশালী বিএনপি নেতার পাশাপাশি বগুড়া কাহালু থানার সাবেক ওসি(বর্তমান শিবগঞ্জের ইনচার্জ) শাহীনুজ্জামান এর সাথে মন কোষাকোষি চলতে থাকে।
এলাকাবাসীর ধারণা স্থানীয় প্রভাবশালী বিএনপি নেতা ও আজ্ঞাবহ কাহালু থানার সাবেক ওসি(বর্তমান শিবগঞ্জের ইনচার্জ) শাহীনুজ্জামান রোষানলে পড়ে সাংবাদিক শামসুল হকের বিরুদ্ধে প্রহসন মূলক মামলা দিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।