1. reporter@youthtvnewsbd.com : reporter :
  2. youthtvnews2019@gmail.com : youthttvnews24 :
জয়পুরহাটে বৃষ্টিতে পানির নিচে আলুক্ষেত, দিশেহারা কৃষক - Youth Tv news
নোটিশ
ইয়ুথ টেলিভিশন এ বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। এছাড়াও জেলা ব্যুরো প্রধান, বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, স্টাফ রিপোর্টার, ক্যাম্পাস  প্রতিনিধি, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার নিয়োগ চলছে। আগ্রহীগণ জীবনবৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভোটার আইডি কার্ডের কপি, নাগরিক সনদের কপি ও সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদ (যদি থাকে) সহ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। মোবাইল: ০১৪০৯-৯৯০৪০০, ০১৯৭২-০৮৪৬৯৬।

জয়পুরহাটে বৃষ্টিতে পানির নিচে আলুক্ষেত, দিশেহারা কৃষক

মুনছুর রহমান, জয়পুরহাট প্রতিনিধি
  • আপডেট সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
  • ১০৯ বার

 

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় ১২ মার্চ বৃহস্পতিবার সকালে অসময়ে টানা বৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় আলুর ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। মাঠজুড়ে জমে থাকা পানিতে অনেক জায়গায় আলু গাছ নষ্ট হয়ে গেছে, কোথাও আবার আলু তুলে স্তুপ করে রাখলেও বৃষ্টির পানিতে তা পচে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এদিকে বাজারে আলুর দাম ধস নামায় চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে আলুর জাত ভেদে প্রতি মণ মাত্র ১৫০- ২০০ বা ৩৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। অথচ এক মণ আলু উৎপাদনে বীজ, সার, সেচ, কীটনাশক ও শ্রমিক মজুরি মিলিয়ে কয়েকগুণ বেশি খরচ হয়েছে। ফলে উৎপাদন খরচ তো দূরের কথা, অনেক ক্ষেত্রে শ্রমিকদের হাজিরার টাকাও উঠছে না বলে জানান কৃষকরা।

ক্ষেতলাল উপজেলার  কৃষক ফরহাদ হোসেন জানান, আমরা অনেক আশা নিয়ে আলু চাষ করি। কিন্তু এবার দাম এত কম যে আলু বিক্রি করে খরচও উঠছে না। উপরে আবার বৃষ্টিতে ক্ষেত ডুবে গেছে। আলু তুলে রাখলেও পচে যাওয়ার আশংকা রয়েছে । এখন আমরা কী করবো বুঝতে পারছি না। আরেক কৃষক তফিকুল ইসলাম জানান, “কোল্ড স্টোরেজে আলু রাখতে গেলেও বিপদ। প্রতি মণ আলু রাখার ভাড়া ৪০০ টাকার বেশি। অথচ বাজারে আলুর দাম মাত্র ১৫০–৩০০ টাকা। তাহলে আমরা কীভাবে স্টোরেজ ভাড়া দেবো?”
কৃষকদের অভিযোগ, বছরের পর বছর আলুর ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় তারা ক্ষতির মুখে পড়লেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয় না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কৃষকদের দাবি, কৃষি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো প্রায়ই নানা আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কৃষকের দুঃখ-দুর্দশা কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায় না।
পরিবেশ কর্মী ও সাংবাদিক রাসেল আহমেদ বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমল পেরিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশেও কৃষকদের নিয়ে যেন এক ধরনের তামাশাই চলে আসছে। কৃষি নির্ভর দেশের কৃষকরাই যখন ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হন, তখন সেই তামাশার শেষ কোথায় এ প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে কৃষক সমাজে। কৃষকদের দাবি, আলুর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, কোল্ড স্টোরেজ ভাড়া কমানো এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য জরুরি সহায়তা প্রদান করা এখন সময়ের দাবি। তা না হলে আগামী মৌসুমে অনেক কৃষকই আলু চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে ।
জেলার কৃষি সম্প্রসাণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাদেকুল ইসলাম বলেন, কৃষকদের আলু তোলা এখন শেষ পর্যায়ে চলছে । বৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক বিষয়। আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি আলুর  জমির পানি দ্রুত নিস্কাশন করতে।  ক্ষতির সম্ভাবনা খুব কম।

শেয়ার করুন...

আরো দেখুন...

Copyright © All rights reserved © 2017 Youth Television News.
Verified by MonsterInsights