
বগুড়ার নন্দীগ্রামে বীরপলি গ্রামের ইউপি সদস্য রশিদুল আলমের বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে লুন্ঠিত আংশিক মালামাল ও নগদ টাকা।
শনিবার দুপুরে বগুড়া ডিবি কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া মুখপাত্র) মো. আতোয়ার রহমান। শুক্রবার তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কাহালু, দুপচাঁচিয়াসহ সদর উপজেলায় সাড়াশি অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা- দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালোড়া শাবলা এলাকার আসলাম সাকিদার (২৭), তালোড়া ভেলুরচক মহল্লার জিয়ারুল ইসলাম জিয়াউর (৪৬) ও শিবগঞ্জ উপজেলার রহবল পশ্চিমপাড়ার সাইদুর মন্ডল মগা (৩৬)। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ডাকাত দলের সদস্যদের মধ্যে আসলামের বিরুদ্ধে আগের পাঁচটি মামলা, জিয়ারুলের বিরুদ্ধে একটি মামলা এবং সাইদুরের বিরুদ্ধে দুটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
শিবগঞ্জ থানার মামলায় গ্রেপ্তার হয় আরও দুইজন। ডাকাত দলের পাঁচজনের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন, নগদ সাড়ে ৫ হাজার টাকা, কানের দুল-চেইনসহ ৭ দশমিক ৫ আনা স্বর্ণালংকার ও ইমিটেশনের গহনা উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ১২ মে নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের বীরপলি ফকিরপাড়া রশিদুল আলমের বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। মধ্যরাতে ৮/১০ জনের ডাকাতদল বাড়ির ছাদে উঠে চিলেকোঠার ছাউনির টিন কেটে ভিতরে প্রবেশ করে। মারপিট করে নগদ ১৩ লাখ টাকা, ১ ভরি স্বর্ণালংকার, ৫টি মোবাইল ফোন ও টেলিভিশন লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় নন্দীগ্রাম থানায় মামলা দায়ের হলে তদন্তে নামে ডিবি।
ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, ৩১ মে গভীর রাতে শিবগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ দহপাড়া এলাকায় জিয়াউল হকের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। তাকে রক্তাক্ত জখম করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, স্মার্টফোন ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র লুট করে নিয়ে ডাকাতদল। এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়। শুক্রবার পৃথক অভিযানে শিবগঞ্জ ও কাহালু এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। তারা হলেন- দুপচাঁচিয়া উপজেলার তালোড়া নওদাপাড়া এলাকার জুয়েল প্রামাণিক (২৪) এবং কাহালু উপজেলার প্রতাপপুর মহল্লার আবদুল ওহাব (২৮)। গ্রেপ্তার ডাকাত সদস্য জুয়েল প্রামানিকের বিরুদ্ধে ১০টি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।