1. reporter@youthtvnewsbd.com : reporter :
  2. youthtvnews2019@gmail.com : youthttvnews24 :
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার অনলাইন ক্যাসিনো সম্রাট মাইনুল ইসলামকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী - Youth Tv news
নোটিশ
ইয়ুথ টেলিভিশন এ বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। এছাড়াও জেলা ব্যুরো প্রধান, বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, স্টাফ রিপোর্টার, ক্যাম্পাস  প্রতিনিধি, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার নিয়োগ চলছে। আগ্রহীগণ জীবনবৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভোটার আইডি কার্ডের কপি, নাগরিক সনদের কপি ও সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদ (যদি থাকে) সহ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। মোবাইল: ০১৪০৯-৯৯০৪০০, ০১৯৭২-০৮৪৬৯৬।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার অনলাইন ক্যাসিনো সম্রাট মাইনুল ইসলামকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:  মোঃ জাকারিয়া হোসেন 
  • আপডেট সময়ঃ বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১২২ বার

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে অভিযান চালিয়ে তার নিজ বাড়ি থেকে মাইনুলকে আটক করে যৌথ বাহিনীর একটি দল।

আটক মাইনুল ইসলাম (২৭) উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের কুটি নাওডাঙ্গা ধরকারকুটি গ্রামের মাছ বিক্রেতা আমজাদ হোসেনের ছেলে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেন নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রূপকুমার সরকার।

মাইনুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন ক্যাসিনার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ আছে।

স্থানীয়রা জানান, মাইনুল ইসলামের বাবা একজন মৎস্যজীবী। তিন-চার বছর আগেও তিনি মাছ বিক্রি করে সংসার চালাতেন। তাদের বাড়ির ভিটে ছাড়া তেমন কোনো সম্পদ ছিল না। ছেলে ২৭ বছর বয়সী যুবক মাইনুলের আয়ের কোনো বৈধ উৎস নেই। শুধু অনলাইন ক্যাসিনা দিয়ে রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন মাইনুল। তার রয়েছে দামি গাড়ি, কয়েকটি মোটরবাইক, স্ত্রীর নাম ৪০ ভরি সোনার গহনা, ব্যাংক কোটি টাকা সঞ্চয়।

মাইনুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ক্যাসিনা খেলে অনেক উঠতি বয়সী ও যুবককে নিঃস্ব করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

এখন কোটি কোটি টাকার মালিক মাইনুল স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকে সামলে নিয়ে ক্যাসিনোর ব্যবসা চালু রেখেছেন। তাদের প্রশ্রয়ে বেপরোয়া মাইনুল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পিস্তলসহ ছবি পোস্ট করেন। তার চলাফেরা আর দাপটে এলাকার মানুষ কথা বলতে পারেন না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাইনুল কিছুদিন আগেও সিরাজগঞ্জ জেলায় তাঁতের কাজ করতেন। সেখান থেকে এলাকায় ফিরে এসে অটোরিকশা চালিয়ে জীবন নির্বাহ করতেন। গত ২৭ জুলাই উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের উপনির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে চশমা প্রতীক পান তিনি। কিন্তু ছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সেই নির্বাচন স্থগিত হয়।

নির্বাচনী হলফনামায় তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, তার ব্যাংকে জমা ৬৯ লাখ টাকা, আর হাতে নগদ অর্থের পরিমাণ ৩ লাখ ৩১ হাজার ৩৩৩ টাকা। স্ত্রীর নামে স্বর্ণালংকার রয়েছে ৪০ ভরি। এসব দৃশ্যমান সম্পত্তি ছাড়াও নামে-বেনাম রয়েছে তার অঢেল সম্পদ।

মাইনুলদের কুঁড়েঘরের জায়গায় এখন পাকা বাড়ি। রয়েছে বিশাল একটি গরুর খামার, একটি মাছের ঘের। রয়েছে কয়েক একর জমি। চড়ে বেড়ান স্ত্রীর নামে কেনা ৩৮ লাখ টাকা দামের প্রিমা গাড়িতে। এ ছাড়াও রয়েছে কয়েক লাখ টাকার পাঁচটি মোটরবাইক।

এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রূপ কুমার সরকার জানান, মাইনুলকে ১৫১ ধারায় (ধর্তব্য অপরাধ নিবারণকল্প) গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজত পাঠানো হয়েছে।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রূপ কুমার সরকার জানান, মাইনুলকে ১৫১ ধারায় (ধর্তব্য অপরাধ নিবারণকল্প) গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজত পাঠানো হয়েছে।কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার অনলাইন ক্যাসিনো সম্রাট মাইনুল ইসলামকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি: মোঃ জাকারিয়া হোসেন
মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে অভিযান চালিয়ে তার নিজ বাড়ি থেকে মাইনুলকে আটক করে যৌথ বাহিনীর একটি দল।

আটক মাইনুল ইসলাম (২৭) উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের কুটি নাওডাঙ্গা ধরকারকুটি গ্রামের মাছ বিক্রেতা আমজাদ হোসেনের ছেলে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেন নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রূপকুমার সরকার।
মাইনুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন ক্যাসিনার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ আছে।
স্থানীয়রা জানান, মাইনুল ইসলামের বাবা একজন মৎস্যজীবী। তিন-চার বছর আগেও তিনি মাছ বিক্রি করে সংসার চালাতেন। তাদের বাড়ির ভিটে ছাড়া তেমন কোনো সম্পদ ছিল না। ছেলে ২৭ বছর বয়সী যুবক মাইনুলের আয়ের কোনো বৈধ উৎস নেই। শুধু অনলাইন ক্যাসিনা দিয়ে রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন মাইনুল। তার রয়েছে দামি গাড়ি, কয়েকটি মোটরবাইক, স্ত্রীর নাম ৪০ ভরি সোনার গহনা, ব্যাংক কোটি টাকা সঞ্চয়।

মাইনুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ক্যাসিনা খেলে অনেক উঠতি বয়সী ও যুবককে নিঃস্ব করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
এখন কোটি কোটি টাকার মালিক মাইনুল স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকে সামলে নিয়ে ক্যাসিনোর ব্যবসা চালু রেখেছেন। তাদের প্রশ্রয়ে বেপরোয়া মাইনুল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পিস্তলসহ ছবি পোস্ট করেন। তার চলাফেরা আর দাপটে এলাকার মানুষ কথা বলতে পারেন না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাইনুল কিছুদিন আগেও সিরাজগঞ্জ জেলায় তাঁতের কাজ করতেন। সেখান থেকে এলাকায় ফিরে এসে অটোরিকশা চালিয়ে জীবন নির্বাহ করতেন। গত ২৭ জুলাই উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের উপনির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে চশমা প্রতীক পান তিনি। কিন্তু ছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সেই নির্বাচন স্থগিত হয়।
নির্বাচনী হলফনামায় তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, তার ব্যাংকে জমা ৬৯ লাখ টাকা, আর হাতে নগদ অর্থের পরিমাণ ৩ লাখ ৩১ হাজার ৩৩৩ টাকা। স্ত্রীর নামে স্বর্ণালংকার রয়েছে ৪০ ভরি। এসব দৃশ্যমান সম্পত্তি ছাড়াও নামে-বেনাম রয়েছে তার অঢেল সম্পদ।
মাইনুলদের কুঁড়েঘরের জায়গায় এখন পাকা বাড়ি। রয়েছে বিশাল একটি গরুর খামার, একটি মাছের ঘের। রয়েছে কয়েক একর জমি। চড়ে বেড়ান স্ত্রীর নামে কেনা ৩৮ লাখ টাকা দামের প্রিমা গাড়িতে। এ ছাড়াও রয়েছে কয়েক লাখ টাকার পাঁচটি মোটরবাইক।

এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রূপ কুমার সরকার জানান, মাইনুলকে ১৫১ ধারায় (ধর্তব্য অপরাধ নিবারণকল্প) গ্রেপ্তার দেখিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজত পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন...

আরো দেখুন...

Copyright © All rights reserved © 2017 Youth Television News.
Verified by MonsterInsights