মিসৌরিতে নবজাতক কন্যাকে নির্যাতনের অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার: আদালতে চাঞ্চল্যকর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরিতে নিজের নবজাতক কন্যাকে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগে ২৩ বছর বয়সী নোয়াহ হাম্পাস নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার তাকে গ্রেপ্তারের পর কোল কাউন্টি জেলে বিনা জামিনে রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে শারীরিক আঘাতের মাধ্যমে শিশু নির্যাতন ও শিশুর জীবন বিপন্ন করার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়েছে। আগামী বুধবার তাকে আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।

জেফারসন সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টের কাছে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটিকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরীক্ষার পর তার পাঁজরের হাড় ও ফিমার বা ঊরুর হাড় ভাঙা পাওয়া যায়। এছাড়া শিশুটির মুখমণ্ডল ও শরীরে কালশিটে দাগ ছিল। চিকিৎসকদের মতে, শিশুটির শরীরের ক্ষতগুলো শুকানোর বিভিন্ন পর্যায়ে ছিল, যা থেকে স্পষ্ট যে দীর্ঘ সময় ধরে তার ওপর এই নির্যাতন চালানো হয়েছে।

পুলিশি জেরার মুখে নোয়াহ স্বীকার করেছেন যে, শিশুটি কাঁদলে তিনি বিরক্ত হয়ে অন্তত ১০ থেকে ২০ বার এমন অমানবিক আচরণ করেছেন। একটি পুতুল ব্যবহার করে তিনি পুলিশকে দেখান কীভাবে তিনি মেয়েকে পা ধরে উল্টো করে ঝুলিয়ে দোলাতেন। শিশুটির মায়ের ভাষ্যমতে, নোয়াহ প্রতিদিন অন্তত দুবার মেয়েকে এভাবে ধরে ঝাঁকাতেন।

পুলিশকে নোয়াহ দাবি করেন, শিশুদের ‘শক্ত’ বা মজবুত করার জন্যই এমনটা করা প্রয়োজন এবং শিশুদের সাথে একটু ‘কঠোর’ আচরণ করাটা খুবই স্বাভাবিক। তার এই অদ্ভুত ও নিষ্ঠুর যুক্তি তদন্তকারীদের অবাক করেছে। বর্তমানে শিশুটির শারীরিক অবস্থা ও তার ওপর চালানো দীর্ঘমেয়াদী নির্যাতনের বিষয়টি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ

Verified by MonsterInsights

মিসৌরিতে নবজাতক কন্যাকে নির্যাতনের অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার: আদালতে চাঞ্চল্যকর তথ্য

আপলোডের সময় : 10:13:15 am, Thursday, 10 September 2026

যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরিতে নিজের নবজাতক কন্যাকে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগে ২৩ বছর বয়সী নোয়াহ হাম্পাস নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার তাকে গ্রেপ্তারের পর কোল কাউন্টি জেলে বিনা জামিনে রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে শারীরিক আঘাতের মাধ্যমে শিশু নির্যাতন ও শিশুর জীবন বিপন্ন করার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়েছে। আগামী বুধবার তাকে আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।

জেফারসন সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টের কাছে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটিকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরীক্ষার পর তার পাঁজরের হাড় ও ফিমার বা ঊরুর হাড় ভাঙা পাওয়া যায়। এছাড়া শিশুটির মুখমণ্ডল ও শরীরে কালশিটে দাগ ছিল। চিকিৎসকদের মতে, শিশুটির শরীরের ক্ষতগুলো শুকানোর বিভিন্ন পর্যায়ে ছিল, যা থেকে স্পষ্ট যে দীর্ঘ সময় ধরে তার ওপর এই নির্যাতন চালানো হয়েছে।

পুলিশি জেরার মুখে নোয়াহ স্বীকার করেছেন যে, শিশুটি কাঁদলে তিনি বিরক্ত হয়ে অন্তত ১০ থেকে ২০ বার এমন অমানবিক আচরণ করেছেন। একটি পুতুল ব্যবহার করে তিনি পুলিশকে দেখান কীভাবে তিনি মেয়েকে পা ধরে উল্টো করে ঝুলিয়ে দোলাতেন। শিশুটির মায়ের ভাষ্যমতে, নোয়াহ প্রতিদিন অন্তত দুবার মেয়েকে এভাবে ধরে ঝাঁকাতেন।

পুলিশকে নোয়াহ দাবি করেন, শিশুদের ‘শক্ত’ বা মজবুত করার জন্যই এমনটা করা প্রয়োজন এবং শিশুদের সাথে একটু ‘কঠোর’ আচরণ করাটা খুবই স্বাভাবিক। তার এই অদ্ভুত ও নিষ্ঠুর যুক্তি তদন্তকারীদের অবাক করেছে। বর্তমানে শিশুটির শারীরিক অবস্থা ও তার ওপর চালানো দীর্ঘমেয়াদী নির্যাতনের বিষয়টি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।