জয় কুমার দাস, কমল পর্দা বিতান, চাঁদনী বাজার বগুড়া-এর পরিচালক। প্রোপ্রাইটর কুমকুম দাস। আজ আমি গভীর উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি, আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সংঘটিত এক ভয়াবহ ঘটনার তথ্য তুলে ধরতে। গত ১১ সেপ্টেম্বর মাগরিব নামাজের পর আনুমানিক সন্ধ্যা ৬ টা ৪৫ মিনিটে আমার দোকানের পূর্ব পাশে পরিকল্পিতভাবে দখল নুরু, বাবু (নিউ মার্কেট) এবং ধারালো অস্থসহ ৩০-৪০ জন সহযোগী। তারা সুকৌশলে দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে দেয়, দোকানের অভিযান চালানো হয়। সেখানে নেতৃত্ব দেন ২০ নং ওয়ার্ড বিএনপি সহ-কল্যাণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন তার শ্যালক কিছু মালামাল লুট করে এবং ক্যাশ বক্স থেকে প্রায় ২৫,০০০ টাকা নিয়ে যায়। উল্লেখ্য যে, এই দোকানের বিষয়ে আমি বহুদিন আগে সিভিল কোর্টে মামলা দায়ের করেছি এবং সবসময় আইনের উপর ভরসা রেখেছি। মামলাটি চলমান থাকা সত্ত্বেও তারা বেআইনি পথে এই হামলা চালায়। ঘটনার আগে থেকেই আনোয়ার হোসেন আমাকে এলাকায় থাকতে দেবেন না বলে হুমকি দিয়ে আসছিলেন।মার্কেটের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় মানুষের সাহসী সহযোগিতায় আমি শেষ পর্যন্ত দখলকৃত জায়গাটি উদ্ধার করতে সক্ষম হই। পরে থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি মজনুষ্যেটনার বিস্তারিত লিখিতভাবে দিই। তবুও হামলাকারীরা এখনো আমাকে এবং আমার পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে, ফলে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছি। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একজন সাধারণ ব্যবসায়ী। নিয়মিত ভ্যাট ট্যাক্স দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। অথচ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে আমার জীবন ও জীবিকা হুমকির মুখে ফেলেছে। এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমি প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি যে, ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হোক। আমার ও আমার পরিবারের জন্য যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে কেউ যেন আইনকে বদ্ধাঙ্গুলি না দেখাতে পারে, সে বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হোক। লুট হওয়া অর্থ ও ক্ষতিগ্রস্থ মালামালের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা হোক। প্রশাসনের সময়োচিত পদক্ষেপে সত্য উদঘাটিত হবে এবং ব্যবসায়ীরা আবারও নিরাপদ পরিবেশে কাজ করতে পারবেন।