
গাজীপুর প্রাইভেট স্কুল এসোসিয়েশনের সেক্রেটারির পরিচয়ে শাহাবুদ্দিনের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে এলাকাবাসীর কাছ থেকে। এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার একাধিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক অভিযোগ করে জানান।
গত বছরে প্রাইমারি স্কুলের বইয়ের কথা বলে ৫০০ এবং মাধ্যমিক স্কুলের বইয়ের কথা বলে ১২০০ থেকে ২২০০ করে টাকা নিতেন তিনি। টাকা না দিলে স্কুল কমিটির শিক্ষক সহ সকলদেরকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও বকাবাজি করতেন তিনি। অবশেষে টুঙ্গি পূর্ব থানা টিও এটিও এর মাধ্যমে শাহাবুদ্দিন এর দুর্নীতি এখন লাগাম এর মধ্যে। একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করে জানান, শাহাবুদ্দিন স্কুলে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি চলছে ভুক্তভোগীরা নাম প্রকাশ করে বলেন। ক্যামব্রিজ স্কুল এন্ড কলেজের অন্তরালে ওই স্কুলের ভিতরে নানা অনৈতিক ও দুর্নীতির কাজ এবং অসামাজিক কাজ করছেন তিনি। অষ্টম ,নবম দশম, শ্রেণীর কোন ছাত্র নেই ওই স্কুলে। স্কুলের অভিভাবকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভর্তি ফি, অতিরিক্ত বেতন এবং স্কুলের ভিতর কোচিং চালাচ্ছেন তিনি। ১৮ বছর আওয়ামী দোসর হয়ে নির্বাচনে কোটি টাকা হাতিয়েছেন তিনি এই স্কুলের নাম ব্যবহার করে। অন্যদিকে ৫ই আগস্টের পর থেকে এখন তিনি জামাতের বড় নেতা। ৫ লক্ষ টাকা দিয়ে এই ক্যামব্রিজ স্কুলটি পরিচালনা করছেন ৫৫ হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে। গুটি কয়েক ছাত্র দেখিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে বই নিয়েছেন শতশত। এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার টিও ম্যাডাম জানান ,তদন্ত সাপেক্ষে অবশ্যই ব্যবস্থা নিব। অন্যদিকে মাধ্যমিক স্কুলের বই এর নানা বাণিজ্যের চেষ্টা করছেন তিনি। এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আজিজুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি জানান ,দুর্নীতিবাজ কোন স্কুলের নিবন্ধন হবে না আমাদের এখান থেকে। বিনামূল্য বই যদি কেউ বাণিজ্য করে তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব ওই স্কুল আমরা বন্ধ করে দেব।
বারবার নিউজ প্রকাশিত হওয়ার পর অবশেষে প্রাইমারির বই বাণিজ্য বন্ধ হলেও মাধ্যমিকের বই বাণিজ্য চেষ্টা করছে শাহাবুদ্দি ও তার দোসরগন।