
উৎপল ঘোষ যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ যশোর বেনাপোল পোর্ট থানা এলাকা থেকে ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামীদেরকে ইব্রাহীম খলিল ও খলিলুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬, যশোর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল।
ঝিকরগাছা থানার জি আর নং- ৬/০১, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার আসামী ইব্রাহীম খলিল, খলিল,খলিলুর রহমান এর বিরুদ্ধে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত শেষে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটির বিচার কার্য শেষে ঘটনার সাথে আসামী প্রমাণ পাওয়ায় বিজ্ঞ আদালত আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের সাজা প্রদান পূর্বক গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যু করেন।
র্যাব -৬,সিপিসি -৩ কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান,গতকাল রাতে যশোর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল যশোর জেলার বেনাপোল পোর্ট থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে পদ্মপুকুর হতে ইসমাইলের পুত্র যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী ইব্রাহীম খলিলুর রহমান ঝিকরগাছা থেকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আসামী পেশায় রাজমিস্ত্রী ছিল। সে কাজের সুবাদে বিভিন্ন এলাকায় গিয়েছে এবং ছদ্দনাম ব্যবহার ও ভূয়া এনআইডি কার্ড বানিয়ে এ যাবৎ তিনটি বিয়ে করেছে। সে তার ১ম স্ত্রীকে রেখে যশোর জেলার মনিরামপুর থানাধীন রাজগঞ্জ এলাকায় কাজ করাকালীন রেশমা নামে এক মহিলার সাথে পরিচিত হয় এবং তাকে তার মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বিয়ে করেন। এ বিষয়ে ভিকটিমের বাবা আসামী খলিলুর রহমান এর বিরুদ্ধে যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানায় অপহরণ করে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
উক্ত মামলায় আসামী ০৮ মাস জেল হাজতে থেকে আসামী ঢাকায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতো। বিজ্ঞ আদালত উক্ত মামলার বিচারকার্য শেষে ৩১ আগষ্ট আসামীকে যাবজ্জীবন সাজা প্রদান করেন। সাজা থেকে নিজেকে বাঁচাতে আসামী নিজের নাম পরিবর্তন করে মোঃ সুমন ইসলাম নামে ভুয়া এনআইডি কার্ড তৈরি করে যশোরে ফিরে আসে এবং যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানাধীন চাপাতলা এলাকায় ৩য় স্ত্রীর এলাকায় নিজেকে ভুয়া এনআইডির নাম মোঃ সমুন ইসলাম নামে পরিচয় দিয়ে নিজেকে আত্মগোপন রাখে।
পরবর্তীতে র্যাব-৬, যশোর ক্যাম্প আসামী ইব্রাহিম খলিলুর রহমান (৫১’কে সনাক্ত করে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তী আইনুনাগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামীকে যশোর জেলার ঝিরকগাছা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।