1. reporter@youthtvnewsbd.com : reporter :
  2. youthtvnews2019@gmail.com : youthttvnews24 :
কিরগিজস্তানে এসসিও শীর্ষ সম্মেলন: মার্কিন প্রভাব মোকাবিলায় একমঞ্চে চীন, রাশিয়া ও ভারত - Youth Tv news
নোটিশ
ইয়ুথ টেলিভিশন এ বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। এছাড়াও জেলা ব্যুরো প্রধান, বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, স্টাফ রিপোর্টার, ক্যাম্পাস  প্রতিনিধি, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার নিয়োগ চলছে। আগ্রহীগণ জীবনবৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভোটার আইডি কার্ডের কপি, নাগরিক সনদের কপি ও সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদ (যদি থাকে) সহ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। মোবাইল: ০১৪০৯-৯৯০৪০০, ০১৯৭২-০৮৪৬৯৬।

কিরগিজস্তানে এসসিও শীর্ষ সম্মেলন: মার্কিন প্রভাব মোকাবিলায় একমঞ্চে চীন, রাশিয়া ও ভারত

স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • আপডেট সময়ঃ মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬ বার

যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক প্রভাবের বিপরীতে একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে পরিচিত সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা বা এসসিও। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে আয়োজিত এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন চীন, রাশিয়া ও ভারতের রাষ্ট্রপ্রধানরা। সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার শুরু হওয়া এই সম্মেলনে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দিচ্ছেন তারা।

সম্মেলনের ফাঁকে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার টেবিলেও সরব ছিলেন বিশ্বনেতারা। রুশ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পুতিন ও শি জিনপিংয়ের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। সেখানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, চীনের সঙ্গে ভিসামুক্ত ব্যবস্থা স্থায়ী করতে মস্কো প্রস্তুত। এছাড়া মঙ্গলবার এসসিওর আনুষ্ঠানিক অধিবেশন শুরুর আগে পুতিনের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের বৈঠকের কথা রয়েছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের সাড়ে চার বছর এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনার ছয় মাস পার হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই সম্মেলনকে পশ্চিমা বিশ্বের বাইরে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ার গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখছে রাশিয়া ও ইরান।

২০০১ সালে চীন, রাশিয়া ও মধ্য এশিয়ার চারটি দেশ মিলে একটি নিরাপত্তাবিষয়ক ফোরাম হিসেবে এসসিও প্রতিষ্ঠা করে। গত ২৫ বছরে সংস্থাটির সদস্য সংখ্যা বেড়ে বর্তমানে ১০টিতে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান সদস্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে রাশিয়া, চীন, ভারত, ইরান, পাকিস্তান, বেলারুশ, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান। এছাড়া আরও অনেক দেশ সংলাপ অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে। যদিও সংস্থাটির লক্ষ্য ও কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে অস্পষ্টতা রয়েছে, তবুও চীন ও রাশিয়া এটিকে জি৭-এর মতো পশ্চিমা জোটের বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছে।

বেইজিং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসসিওর পরিধি ও প্রভাব বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং সদস্য দেশগুলোকে উন্নয়ন ও আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যমতে, সংস্থাটি আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন পথ অনুসন্ধানে সফল হয়েছে। রাশিয়ার সমর্থন নিয়ে চীন দীর্ঘদিন ধরে একটি বিকল্প বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রচারণা চালিয়ে আসছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, এসসিও কোনো ঐক্যবদ্ধ সামরিক বা রাজনৈতিক জোট নয় এবং সদস্য দেশগুলোর নিজস্ব স্বার্থ ও মতপার্থক্য এখানে স্পষ্ট।

ভারতের মতো দেশগুলোর জন্য এই সম্মেলন ভূরাজনৈতিক কৌশলগত বার্তা দেওয়ার একটি বড় সুযোগ। যদিও এই ফোরামে ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানও সদস্য, তবুও কার্নেগি ইন্ডিয়ার নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষক দিনকর পেরি মনে করেন, এসসিও ভারতকে এমন একটি অঞ্চলে আলোচনার টেবিলে জায়গা করে দেয়, যা বড় শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে। এর মাধ্যমে ভারত তার জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক প্রবণতা পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি নিজেকে একজন নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ খবর দিয়েছে অনলাইন কোরিয়া হেরাল্ড। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে এর লক্ষ্য ও কর্মসূচি এখনো অনেকটাই অস্পষ্ট এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে এর পরিচিতিও তুলনামূলকভাবে কম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশেষ করে ভারতের মতো দেশগুলোর ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই সম্মেলন থেকে বড় ধরনের বাস্তব ফলাফলের চেয়ে এর দৃশ্যমানতা ও কৌশলগত বার্তাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো দেখুন...

Copyright © All rights reserved © 2017 Youth Television News.
Verified by MonsterInsights