
মোঃ খলিলুর রহমান, (নীলফামারী প্রতিনিধি): নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার গোলনা ইউনিয়নে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসূচি (ইজিপিপি) প্রকল্পের শ্রমিকদের ব্যক্তিগত বাড়ীর কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত এক মহিলা ইউপি সদস্যের বির“দ্ধে। আবার ওই ইউপি সদস্যের স্বামী নিজেই শ্রমিক হিসেবে কাগজে কলমে নাম থাকলেও কাজ না করে- প্রকল্পের চেয়ারম্যানকে বিশেষ সুবিধা দিয়ে মজুরি উত্তোলন করেন আসছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে এ দৃশ্য দেখা গেছে গোলনা ইউনিয়নের নতুন রাস্তা সংস্করণ নির্মান প্রকল্পের অধীনে ৪৬ জন শ্রমিক বর্তমানে কাজ করছেন। এর মধ্যে একজন সংরক্ষিত ওই ওয়ার্ড ইউপি সদস্যের স্বামীর নামও রয়েছে। উক্ত প্রকল্পের ৪৬ জন শ্রমিক কাজ করার কথা থাকলেও কাজ করছেন মাত্র ৩৫ জন শ্রমিক। অবশিষ্ঠ ৯ জন শ্রমিক কোথায় গেছে জানতে চাইলে শ্রমিক সর্দার এন্তাজুল হক জানান বাকি ৯ জন শ্রমিক ৪,৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোছাঃ হাবিবা আক্তার পিউরির বাড়িতে কাজ করছেন। কি কাজ করতে গেছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, পিউরির বাড়ির ভিতরের উঠানে মাটি ভরাট করতে গেছে শুনেছি। এ সময় ওই শ্রমিক সর্দার জানান পিউরি জোর করে শ্রমিকদের নিয়ে গিয়ে কাজ করেছে। আমি একজন শ্রমিক সর্দার হিসাবে কি করতে পারি। ক্ষমতা তো তার হাতে। এ সময় তিনি আরো বলেন, আমার সর্দারী বেতন মাত্র ২ হাজার টাকা ওই ইউপি সদস্যের স্বামী দীর্ঘ দিন যাবত উত্তোলন করে আসছেন। এ বিষয়ে শ্রমিক আরজিনা বেগম বলেন, আমরা রাস্তার কাজের জন্য আসতেছিলাম কিন্তূ পিউরি আপা আমাদের তার বাড়ির আঙ্গিনার মাটি ভরাট এর কাজ করতে বলেছেন। এ জন্য আমরা এখানে কাজ করছি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য পিউরি বলেন, আমরা যদি জনপ্রতিনিধি হয়ে এতটুকু সুবিধা ভোগ করতে নাই যদি পাই তাহলে এটা আমাদের ব্যার্থতা। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ময়নুল হকের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, যারা ওখানে কাজ করতে গিয়েছিলো আমরা তাদেরকে অনুপস্তিত করে দিয়েছি এবং যারা কাজ করতে গেছে তাদেরও ১ দিনের বেতন কর্তন করা হবে।