
উৎপল ঘোষ,ক্রাইম রিপোর্টার: যশোর মনিরামপুর থানাধীন ভরতপুর ও ঘুঘুদাহ এলাকা হতে ধর্ষণ মামলার প্রধান দুই আসামিকে আটক করে র্যাব -৬ যশোর। মামলা সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম একজন ১৩ বছরের কন্যা সন্তান এবং ঘুঘুদাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীতে পড়ুয়া শিক্ষার্থী। তার বাবা-মায়ের গত পাঁচ বছর পূর্বে বিবাহ বিচ্ছেদ/তালাক হওয়ায়, ভিকটিম সেসময় থেকেই তার মায়ের পিশা মশাই মামলার আসামী নিমাই মন্ডল (৫০) ও দেবব্রত কুমার দাস (৩৮) স্কুলের কাজের অজুহাতে বিভিন্ন সময় নিমাই মন্ডল (৫০) এর বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। ভিকটিমের বোধ বুদ্ধি কম হওয়ার সুযোগে আসামী দেবব্রত কুমার দাস ওরফে বাচ্চু’র সহযোগীতায় আসামী নিমাই মন্ডল গত ইং ২০ নভেম্বর ২০২৩ হতে ইং ১ জুন ২৪ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ভিকটমকে ফুসলিয়ে তার নিজ বাড়িতে জোরপূর্বক ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। উক্ত ধর্ষণের ফলে ভিকটিম অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে, গত ইং ০১ জুন বিষয়টি ভিকটিমের মা জানার পরে আসামীগন ভিকটিমের মাকে মামলা না করার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের মা র্যাব-৬ যশোরকে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত করে। র্যাব-৬ যশোর এর সহায়তায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে যশোর জেলার মনিরামপুর থানায় নিমাই মন্ডল (৫০) ও দেবব্রত কুমার দাস ওরফে বাচ্চু (৩৮) এর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- ০৮, তারিখ- ১২ জুন ২৪ যশোর র্যাব -৬,সিপিসি-৩ সুত্র থেকে জানা যায়,উক্ত বিষয়ে মামলা রুজু হওয়ার পরপরই র্যাব-৬, যশোর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১২ জুন রাত ০১ টা ৪৫ মিনিটে দিকে মনিরামপুর থানাধীন ভরতপুর ও ঘুঘুদাহ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মৃত হরসিৎ মন্ডলের পুত্র নিমাইকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করে ও ঘুঘুদাহ এলাকা হতে সঞ্জিত দাসের পুত্র দেব্রত দাস ওরফে বাচ্চুকে রাত ২ টার দিকে আটক করে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে যশোর জেলার মনিরামপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।