
বেশ কিছুদিন আগে আমাকে হেয়প্রতিপূর্ণ করতে একজন আমার ফেইসবুক পোস্টে বাজে কমেন্ট করেছিল। সেই কমেন্ট আমি দেখার আগে আম্মু দেখেছিল। আমি তখন লজ্জিত হয়েছিলাম। তখন কমেন্টকারীর প্রতি রাগান্বিত হয়েছিলাম। কমেন্টকারী বর্তমানে অসুস্থ। সে তার ভুল বুঝতে পেরে- আমার কাছে ক্ষমা চাইলো। সে তার ভুল বুঝতে পেরেছে- সে জন্য তাকে ধন্যবাদ। আমার গর্ভধারণী মা একজন এবং ডাক মা দুইজন। তিন জনকেই অনেক বেশি ভালবাসি। তিন জনের কাওকে আলাদাভাবে দেখি বললে ভুল হবে, তবে গর্ভধারিনী মা আমার জন্য বহু কষ্ট সহ্য করেছে, ডাকমা তাদের সার্থের জন্য আমাকে ত্যাগ করলেও গর্ভধারিণী মা আমাকে কখনোই ত্যাগ করবেনা, ইনশাআল্লাহ। আমি আমার তিনজন মায়ের কাছেই নিজেকে নিরাপদ মনেকরি, যা পৃথিবীর অন্য কোথাও নেই বলে আমার বিশ্বাস। আমার আরো একজন বন্ধু রয়েছে- তার কাছেও নিজেকে নিরাপদ মনেকরলেও বিপদে তাকে পাশে পাইনি। নিজেকে এখনো রাজনীতিতে যুক্ত করিনি, তা অতিতে একাদিক পত্র পত্রিকায় উল্লেখ করেছি। সুন্দর সমাজ গঠনের লক্ষ্যে সামাজিক নেতৃত্বে এখনো বিশ্বাস করি এবং সামাজিক নেতৃত্ব দেওয়ার চেষ্টাও করি। কখনো কাওকে (০১) শারীরিকভাবে আঘাত করিনি, (০২) কাওকে অশ্লীল ভাষায় গালি দেইনি (০৩) কারো অর্থ আত্মসাত করিনি। সুন্দর সমাজ (জাতীয়) গঠনের লক্ষে সামাজিক কাজ করেছি। সামাজিক কাজের নেতৃত্বে ক্ষুব্ধ হয়ে- কুচক্রী মহল বিভিন্ন সময় নিকৃষ্টতম অপবাদ দিতেও দ্বিধা করেনি। আমি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত না থাকলেও কুচক্রী মহল ২০০৯ এরপর আমাকে তৎকালীন সংকটে থাকা রাজনৈতিক দলের লোক বলে অপপ্রচার করতো, বর্তমানে ওরাই আবার সম্প্রতি সংকটে থাকা রাজনৈতিক দলের লোক বলে দাবি করে। যাইহোক- আমি একটি সুন্দর বাংলাদেশের প্রত্যাশা আগেও করেছি এখনও করি। এবার ইফতারের মুড়ির কথায় আসি। আমি আমার কথায় বলি, মুড়ি দিয়ে তৈরি ইফতার আমার কাছে খুবই স্বাদলাগে। মানুষ বলে থাকে, ক্ষুধার্ত অবস্থায় ইফতার খাওয়ার কারণে এই স্বাদ লাগে, প্রকৃতপক্ষে তা ভুলকথা। কারণ অনেক সময় আমি বিভিন কাজের সুবাদে দীর্ঘ সময় উপোস থাকা হয়ে যায়। তারপর আমি মুড়ি দিয়ে ইফতারের মত খাবার তৈরি করে খেয়েছি। তাতে সেই স্বাদ আমি পাইনি। সুতরাং খাবারে নয় ইফতারেই স্বাদ নিহিত। চলার পথে পরিচয়, তারপর বিভিন্ন সুবাদে আম্মা ডেকেছি দুইজন নারীকে। তারা কখনোই আমার সাথে কর্কশ ভাষায় কথা বলেনি। আমার জন্য তারা বিভিন্ন সময় আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তারা কখনোই তা আমাকে বলেওনি, যদিও তাদের স্বজনরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কিছু বলেছে। আম্মাদের দেওয়া উপহার ও অর্থ আমাকে সারাক্ষণই প্রফুল্ল করেছে। আমি নিজের টাকায় বা অন্যের টাকায় উপহার কিনে দেখেছি- তাতে প্রফুল্ল অনুভব করিনি। যাইহোক সম্প্রতি আমি আমার খাটে শুয়ে আছিলাম। হঠাৎ দেখি- শরীর ঘেমে যাচ্ছে। উপরে পাখা ঘুরতেছিল। তখন মনেমনে ভাবলাম- যদি শীতল পাটি থাকতো বিছানায়- তাহলে হয়তো শরীরটা ঘামতোনা। তখন ভাবলাম- আম্মু (ডাক মা) কাছে থাকলে ইশারা ইংগিতে শীতল পাটির কথা বলতাম। সে আমার ইশারা ইংগিত বুঝতে পারলে ঠিকই শীতল পাটি কিনে দিত। সেই পাটিতে শুইতে পারলে মনটা কতটুকু প্রফুল্ল হতো তা অপরিমেয়। আমার আম্মুরা ভাল থাকুক, সুস্থ্য থাকুক, বেচে থাকুক যুগযুগান্তর।