
২৭শে নভেম্বর বরিশালের বাকেরগঞ্জে বোয়ালিয়া বাজার কেন্দ্রিয় মসজিদের সামনে উগ্রবাদী সংগঠন “ইসকন” নিষিদ্ধদের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় ধর্মপ্রান মুসলিম জনতা।
আজ মাগরিবের নামাজের পরে শত শত মানুষ এই বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে বোয়ািলয়া বাজার মসজিদের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন। এ সময়য়ে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন সহ তরুন সমাজ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
একজন মুসল্লি মোঃ ইউসুফ হাওলাদার বলেন, ইসলাম সারা বিশ্বের জন্য শান্তির ধর্ম । আমরা কোনো সহিংসতা চাইনা। তবে, বর্তমান সময়ে হিন্দুত্ববাদি সংঘটন “ইসকন” বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ষরযন্ত্রে লিপ্ত হয়ে বাংলাদেশের হিন্দু মুসলিম সম্প্রীতি নষ্ট করার চক্রান্ত করেছে যা আমরা কখনো মেনে নিবোনা।
শ্যামপুর কাদরিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওঃ নাছির উদ্দিন বলেন,
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শুরু থেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দাবিদাওয়া আন্তরিকভাবে বিবেচনা করেছে। কিন্তু চিন্ময় কৃষ্ণ দাস বিভিন্ন সভা সমাবেশে মিথ্যা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করে যাচ্ছিল।
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হওয়া সত্ত্বেও কোনো আইনগত পদক্ষেপ না নিয়ে বিভিন্ন সভা করে বেড়াচ্ছিলেন চিন্ময় কৃষ্ণ। মূলত এই ধরনের তৎপরতার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্ব মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করা এবং বাংলাদেশ ও জুলাই অভ্যুত্থানকে নেতিবাচক হিসেবে উপস্থাপন করা।
বক্তারা আরও বলেন,
সন্ত্রাসী সংঘঠন “ইসকনের” সদস্যরা গতকাল চট্রগ্রামে এ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ নামক একজন উকিল কে জবাই করে হত্যা করেছে, আমরা এর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। যতদ্রুত সম্ভব সন্ত্রাসীদেরধরে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং তাদের বিচার করতে হবে।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের আদালত এলাকায় সাইফুল ইসলাম আলিফ নামের এক আইনজীবীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে হিন্দু উগ্রবাদী সংগঠন ইসকন নেতা এবং বাংলাদেশ সনাতনী জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের সমর্থকেরা। পাশাপাশি হামলা হয়েছে আদালত ও মসজিদে, ভাংচুর করা হয়েছে অসংখ্য যানবাহন ও দোকানপাট।
গত মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। হামলার ঘটনায় আহত আরো ৭-৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।