
বিদ্রোহীদের তড়িৎগতির আন্দোলনের মুখে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর সিরিয়ায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর আগ্রাসন ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। বিমান হামলা জোরদারের পাশাপাশি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ট্যাংক ইতোমধ্যে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এর মাঝেই মঙ্গলবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান সিরিয়াকে ভেঙে ফেলার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে হুঁশয়ারি উচ্চারণ করেছেন।
তিনি বলেছেন, ‘‘সিরিয়াকে আর কখনই ভেঙে ফেলতে দেওয়া হবে না। কেউ যদি সিরীয় ভূখণ্ডের অখণ্ডতা নিয়ে আপস করতে চায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে তুরস্ক।’’
তুরস্কের এই প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘‘এই মুহূর্ত থেকে আমরা সিরিয়াকে আবারও বিভক্ত হতে দিতে পারি না… সিরিয়ার জনগণের স্বাধীনতা, নতুন প্রশাসনের স্থিতিশীলতা এবং সিরীয় ভূমির অখণ্ডতার ওপর যে কোনও ধরনের আক্রমণ হলে আমরা তার বিরুদ্ধে দাঁড়াবো।’’
আসাদের পতনের পরপরই দীর্ঘ ৫০ বছর পর প্রথমবারের মতো সিরীয় সীমান্তের বাফার জোন এলাকায় প্রবেশ করেছে ইসরায়েলি সৈন্যরা। সীমান্তের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ইসরায়েলি সৈন্যরা সাময়িক সময়ের জন্য সেখানে প্রবেশ করেছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের শীর্ষ কূটনীতিক গিডিয়ন সার বলেছেন, ‘‘নিরাপত্তার স্বার্থে ইসরায়েলি সৈন্যরা ‘সীমিত ও অস্থায়ী পদক্ষেপের’ অংশ হিসেবে বাফার জোনে প্রবেশ করেছে।’’