
গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ও দেশীয় সংস্কৃতি ধরে রাখতে লোকনাট্য সমারোহ বিশেষ ভুমিকা পালন করবে। এছাড়াও উদ্দ্যোক্তাদের পিঠা মেলা একে অপরের সাথে পরিচিতি বাড়ানো ও পণ্যের প্রসার ঘটাতে ভুমিকা রাখবে। ৫২দিনের তারুণ্যের উৎসব কর্মসুচির অংশ হিসেবে নীলফামারীতে লোকনাট্য সমারোহ ও পিঠা উৎসবের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
জেলা প্রশাসন ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে শুক্রবার রাতে তিনদিন ব্যাপী শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত মেলায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষণ বিভাগের সিনিয়র ইন্সস্ট্রাকটর শেখ এহসানুর রহমান বক্তব্য দেন।
জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা কে এম আরিফ উজ্জামানের সভাপতিত্বে এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) ফারুক আল মাসুদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহুরুল আলম ও জেলা মহিলাদলের সভাপতি তাসনিম ফৌজিয়া ওপেল উপস্থিত ছিলেন।
ফিতা কেটে উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান পিঠা উৎসবে অংশ নেয়া স্টল সমুহ পরিদর্শন করেন। এ সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শিল্পকলা একাডেমি সুত্র জানায়, নারী উদ্দ্যোক্তাদের নয়টি স্টলে বাহারি রকমের পিঠাপুলি স্থান পেয়েছে।
জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা কে এম আরিফ উজ্জামান জানান, নীলফামারী ছাড়াও ঠাকুরগাঁও, কুড়িগ্রাম ও দিনাজপুর জেলার সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিবেশ করা হবে উৎসবে। ধামের গান, কুশানপালা ও কবিগান, মুখানৃত্য ও মাটিয়াগাণ পরিবেশণ করবেন শিল্পিরা।