
মিষ্টি কথা আর ভালবাসায় সখীকে মানানো গেলেও নিজের পেট যেন ক্ষুধা সহ্য করতে নারাজ। তাই কাঠফাটা রোদে পিঠ পোড়া হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষ।
বগুড়ার শিবগঞ্জে তীব্র রোদ আর ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস জনজীবন। পেটের ক্ষুধা আর প্রয়োজন মেটাতে তীব্র গরমের সাথে লড়াই খেটে-খাওয়া মানুষের।
প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না অনেকেই।
দিনের তীব্র রোদ উপেক্ষা করেই ঘর থেকে বের হতে হয়, জীবিকা নির্বাহে খেটে খাওয়া মানুষদের।
এক পশলা বৃষ্টি আর খন্ড মেঘের ছায়ায় যেন তারা পায় শান্তির ছোঁয়া।
রোদে পুরে খেটে খাওয়া মানুষগুলো একটু শীতল হতে মাঝেমধ্যে আশ্রয় নিচ্ছেন গাছের ছায়ায়। কেউবা পান করছেন ঠাণ্ডাজাতীয় শরবত। আবার অনেকে বাতাস করার জন্য কিনছেন হাতপাখা। সকাল ৮টার পর থেকে তাপমাত্রা বাড়তে থাকে। দুপুর হলেই যেন সূর্যের প্রখর তাপে আগুনের ফুলকী বইতে শুরু করে। প্রকৃতির এমন আচরণে প্রাণ ওষ্ঠাগত।
উপজেলার রহবল এলাকার ভ্যানচালক মো.ইয়াসিন ইসলাম বলেন, যে গরম পড়েছে তাতে রাস্তায় ভ্যান চালানোই যাচ্ছে না। তার মধ্যে আবার রাস্তায় শুকাচ্ছে খড় এটা যেন মরার উপর খাঁড়ার ঘা। তীব্র রোদে মাথা পুড়ে যাচ্ছে। কিন্তু উপায় নাই। শরীরের কষ্ট দেখলে তো পরিবার নিয়ে ভালোথাকা যাবে না।
রহবল এলাকার কৃষক মো. খারিজুল বলেন, তীব্র এই রোদের মধ্যেই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান কেটে বেধে বাড়িতে আনতে হচ্ছে। একটু বিশ্রাম নিয়ে আবার মাঠা নামতে হয় ধান কাটতে। কাঠফাটা রোদ যেন মাথার মস্তিষ্ক গলে দিচ্ছে।
উপজেলার গাংনাগর মাছ পাড়া গ্রামের কৃষক মো.ইউসুফ বলেন, বেশ কয়েকদিন হলো প্রচণ্ড তাপমাত্রায় মাঠে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে তীব্র রোদ কষ্টের হলেও ধান কাটা মারার জন্য তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এমন তীব্র রোদ কিছুদিন থাকলে ধান কাটামারা ঘরে তোলা অল্প দিনের মধ্যেই হয়ে যাবে।