
র্যাব-১২ এর অভিযানে বগুড়া শাজাহানপুর উপজেলার মোঃ আল আমিন হত্যা মামলার এজাহার নামীয় ৪নং পলাতক আসামী বাশির আহম্মেদ ও ৫নং পলাতক আসামী মোঃ নাজির হোসেন গ্রেফতার।
ভিকটিম মোঃ আল আমিন (৩৫), পিতা মোঃ আফসার মালী, সাং ভাদাইকান্দি, শাজাহানপুর। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ইতিপূর্বে বাদী হয়ে বিবাদীগনের বিরুদ্ধে শাজাহানপুর থানায় জিআর নং-২৭২/২৪ একটি মামলা দায়ের করেণ। বিবাদীগন ভিকটিমকে মামলা তুলে নিতে খুন জখমের হুমকি সহ ২,০০০০০/- টাকা চাঁদা দাবী করে আসছে।
ভিকটিম মোঃ আল আমিন (৩৫) শহরের নিউমার্কেটের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যাবসায়ী। ভিকটিম চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় গত ২৮/০৭/২০২৫ ইং তারিখ সকাল অনুমানিক সাড়ে ১০ টায় ব্যাবসার উদ্দেশ্যে ১,৫০,০০০/- টাকা হাত ব্যাগে করে বাসা থেকে বের হলে বিবাদীগন পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে পথিমধ্যে বাঁশ ঝাড়ের পাশে ওৎ পেতে থাকা লোহার রড, এস এস পাইপ, চাকু, লোহার হাতুড়ী, লাঠি, হকষ্টিক, রামদা ইত্যাদি দেশীয় মারাত্বক অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভিকটিম মোঃ আল আমিন (৩৫) কে চারদিক থেকে ঘিরিয়া ধরে মারপিট করে গুরুতর জখম করে টাকার ব্যাগ নিয়ে চলে যায়।
ভিকটিমকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মুমুর্ষ অবস্থায় ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ০২/০৮/২০২৫ ইং তারিখ রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করে। পরে ভিকটিমের চাচা বাদী হয়ে, শাজাহানপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা নং-৪১, তারিখঃ ৩০/০৭/২০২৫খ্রিঃ ধারাঃ ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০২/৩০৭/৩৮৫/৩৭৯/৫০৬/১১৪ পেনাল কোড ১৮৬০।
উক্ত মামলার প্রেক্ষিতে, সিপিএসসি বগুড়া, র্যাব-১২ আসামীদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করতে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে,
উল্লিখিত হত্যা মামলার ৪নং পলাতক আসামী বাশির আহম্মেদ (২৬) ও ৫নং পলাতক আসামী মোঃ নাজির হোসেন (২৮) ডিএমপি দারুস-সালাম থানাধীন গাবতলী এলাকায় অবস্থান করছে। গত ২৩ আগস্ট বিকালে সিপিএসসি বগুড়া, র্যাব-১২ এবং সিপিসি সদর, র্যাব-৪ এর একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপি দারুস-সালাম থানাধীন গাবতলী এলাকা থেকে উল্লেখিত হত্যা মামলার এজাহার নামীয় ৪নং পলাতক আসামী বাশির আহম্মেদ (২৬) ও ৫নং পলাতক আসামী মোঃ নাজির হোসেন (২৮), উভয়ের পিতাঃ মৃত আব্দুল লতিফ, মাতাঃ নার্গিস বেগম, সাং- বাদাইকান্দি, শাহজাহানপুর, বগুড়াদ্বয়কে ২ টি বাটন মোবাইল ফোনসহ গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শাজাহানপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।