
বগুড়া সদর থানা এলাকার একটি নির্যাতিত পরিবারের প্রতি হাত বাড়ালেন পুলিশ সুপার, বগুড়া জনাব মোঃ জেদান আল মুসা, পিপিএম মহোদয়।
মাননীয় পুলিশ সুপার, বগুড়া মহোদয়ের নির্দেশক্রমে অদ্য ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খ্রিঃ তারিখ বগুড়া সদর থানার চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা নম্বর ২৮(৬)২০২৫ এর ভিকটিম মৃত শাকিল এর পরিবারের নিকট ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সার তিনটি ব্যাটারি ও চার্জার হস্তান্তর সংক্রান্তে।
উপরোক্ত মামলার ভিকটিম মৃত শাকিল তাহার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিল। ভিকটিম মৃত শাকিল অটো রিকশা চালক ছিলেন। ইং ১৪/০৬/২০২৫ তারিখ অনুমান ০২.০০ ঘটিকার সময় ভিকটিমের বাড়ীতে এজাহার নামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা মোটর সাইকেল যোগে আসিয়া ভিকটিমকে পাইয়া জোরপূর্বক অপহরণ করে আসামীদের মোটর সাইকেলে করিয়া বগুড়া সদর থানাধীন ফুলবাড়ী মৃধাপাড়া গ্রামস্থ করতোয়া নদীর পাড়ে নিয়ে সকল আসামীগণ হত্যার উদ্দেশ্যে লাঠি সোটা ও লোহার রড দিয়ে শাকিলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ী মারপিট করিয়া ছেলা ফুলা রক্তাক্ত জখম করে। আশে পাশের লোকজন ভিকটিম শাকিলকে উদ্ধার পূর্বক শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বগুড়ায় নিয়ে গেলে হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত ডাক্তার পরীক্ষা করে মৃত ঘোষনা করেন। ভিকটিম মৃত শাকিল তার পরিবারের একমাত্র উপার্জন ক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। তিনি মার্ডার হওয়ার পরে তার পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়ে। ভিকটিম মৃত শাকিল মার্ডার হওয়ার পর থেকে তার ব্যবহৃত ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সাটি অকেজো হয়ে পড়ে থাকে। বিষয়টি মাননীয় পুলিশ সুপার, বগুড়া মহোদয়ের নজরে আসলে তিনটি ব্যাটারি ও চার্জার দিয়ে উক্ত ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সাটি সচল করার জন্য হাত বাড়িয়ে দেন। পুলিশ সুপার, বগুড়া মহোদয়ের নির্দেশক্রমে এবং তাহার পক্ষে জনাব মোঃ হাসান বাসির, অফিসার ইনচার্জ, সদর থানা, বগুড়া স্যার তাহার অফিস কক্ষে ভিকটিম মৃত শাকিল এর স্ত্রী মোছাঃ মালেকা খাতুনসহ ভিকটিমের মা ও বোন এর নিকট তিনটি ব্যাটারি ও একটি চার্জার হস্তান্তর করেন।