
বগুড়ার নন্দীগ্রাম পৌর এলাকার সিএনজি স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় এক যুবককে ঘিরে লোহার রড, লাঠি ও ধারালো বার্মিজ চাকু দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৮–১০ জনকে আসামি করে নন্দীগ্রাম থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, নন্দীগ্রাম উপজেলার মাঝগ্রাম (পুরাতন রেজিস্ট্রি অফিস) এলাকার বাসিন্দা ফিরোজা বেগম (৪৮) তার ছেলে ফিরোজ আহমেদ শাকিল (২৪)-এর ওপর হামলার অভিযোগ এনে থানায় এজাহার দায়ের করেন।
তিনি জানান, পূর্ব বিরোধের জেরে গত ১ মার্চ রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে নন্দীগ্রাম পৌর এলাকার সিএনজি স্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি সেলুনের দোকানের সামনে তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে ঘিরে ধরে অভিযুক্তরা।
এজাহারে বলা হয়, অভিযুক্ত নন্দীগ্রাম পৌর ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হাসান পলিন (২৯), এনামুল (২৭), সাজু (২৮), শাকিল (২৪), আফিফ (২৩), বাপ্পী (২৭), সুজন (২৭), রবিউল (২৫) ও সাগর (২৬)সহ অজ্ঞাত ৮–১০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শাকিলকে চারদিক থেকে ঘিরে ধরে।
একপর্যায়ে তারা লোহার রড, বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং প্রধান আসামি রাকিব হাসান পলিন তার হাতে থাকা ধারালো বার্মিজ চাকু দিয়ে শাকিলের বাম পায়ের রানে উপর্যুপরি আঘাত করে।
এ সময় শাকিলের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর মা ফিরোজা বেগম বলেন, “আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার পড় থেকেই আসামীদের গ্রেফতার করতে অভিযান চলছে। তবে এখনো কোন আসামীকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।