নাইজেরিয়ায় সোনার খনি ধসে শতাধিক মৃত্যুর আশঙ্কা

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যের একটি সোনার খনিতে ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে শতাধিক শ্রমিকের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স। প্রতিবেদন মতে, গত বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জামফারা রাজ্যের মারু অঞ্চলের কাদাউরি এলাকায় খনিতে খননকালে ধসের ঘটনা ঘটে। ওই সময় বহু স্থানীয় শ্রমিক খনির মধ্যে কাজ করছিলেন। ধসের পর থেকে টানা উদ্ধারকাজ চলছে। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে ১৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হয় বলে জানান সানুসি আওয়াল নামে স্থানীয় এক স্বেচ্ছাসেবী। ওই স্বেচ্ছাসেবী জানান, নিহতদের মধ্যে তার এক ভাইও রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ধসের সময় ভেতরে শতাধিক শ্রমিক ছিলেন। আমরা ভাগ্যবান যে কয়েকজন জীবিত বের হতে পেরেছি। ধসের ঘটনা বেঁচে ফেরা এক চিকিৎসাধীন শ্রমিক ইসা সানি বলেন, ‘শতাধিক মানুষের মধ্যে আমরা কেবল ১৫ জন জীবিত বের হতে পেরেছি।’ জামফারা রাজ্যের খনি শ্রমিক সংগঠনের কর্মকর্তা মোহাম্মাদু ইসা জানান, ধ্বংসস্তূপ সরানোর সময় অনেক উদ্ধারকারী শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। জামফারা পুলিশের মুখপাত্র ইয়াজিদ আবুবাকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স। জামফারায় অবৈধ স্বর্ণখনি দীর্ঘদিন ধরেই একটি বড় সমস্যা। এসব খনি সাধারণত সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ কারণে খনি এলাকায় প্রায়ই সহিংসতা, গোলাগুলি আর প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সিডনির নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রথম যাত্রীবাহী ফ্লাইটের যাত্রা শুরু

Verified by MonsterInsights

নাইজেরিয়ায় সোনার খনি ধসে শতাধিক মৃত্যুর আশঙ্কা

আপলোডের সময় : 10:49:30 pm, Saturday, 27 September 2025

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যের একটি সোনার খনিতে ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে শতাধিক শ্রমিকের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স। প্রতিবেদন মতে, গত বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জামফারা রাজ্যের মারু অঞ্চলের কাদাউরি এলাকায় খনিতে খননকালে ধসের ঘটনা ঘটে। ওই সময় বহু স্থানীয় শ্রমিক খনির মধ্যে কাজ করছিলেন। ধসের পর থেকে টানা উদ্ধারকাজ চলছে। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে ১৩ জনের লাশ উদ্ধার করা হয় বলে জানান সানুসি আওয়াল নামে স্থানীয় এক স্বেচ্ছাসেবী। ওই স্বেচ্ছাসেবী জানান, নিহতদের মধ্যে তার এক ভাইও রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ধসের সময় ভেতরে শতাধিক শ্রমিক ছিলেন। আমরা ভাগ্যবান যে কয়েকজন জীবিত বের হতে পেরেছি। ধসের ঘটনা বেঁচে ফেরা এক চিকিৎসাধীন শ্রমিক ইসা সানি বলেন, ‘শতাধিক মানুষের মধ্যে আমরা কেবল ১৫ জন জীবিত বের হতে পেরেছি।’ জামফারা রাজ্যের খনি শ্রমিক সংগঠনের কর্মকর্তা মোহাম্মাদু ইসা জানান, ধ্বংসস্তূপ সরানোর সময় অনেক উদ্ধারকারী শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। জামফারা পুলিশের মুখপাত্র ইয়াজিদ আবুবাকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স। জামফারায় অবৈধ স্বর্ণখনি দীর্ঘদিন ধরেই একটি বড় সমস্যা। এসব খনি সাধারণত সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ কারণে খনি এলাকায় প্রায়ই সহিংসতা, গোলাগুলি আর প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়।