
বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় রাবেয়া আক্তার মিতু (৩৩) নামে এক গৃহবধূ ও আব্দুর রহমান খোকা (৬০) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ও বিকালের দিকে এসব মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এই দুই মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাবেয়া আক্তার মিতু স্বামীর বাড়ি থেকে অটোরিকশায় চড়ে ভাটরা ইউনিয়নের দমদমা গ্রামে খালার বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে কুমিড়া পণ্ডিতপুকুর-দমদমা সড়কের কুচিয়ার মাথা এলাকায় পৌঁছালে অটোরিকশা থেকে ছিটকে পড়ে তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত রাবেয়া আক্তার মিতু উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের মাঝগ্রাম গ্রামের শাকিল আহম্মেদের স্ত্রী।
অপরদিকে, একই দিন বিকেল ৫টার দিকে ভাটগ্রাম ইউনিয়নের পালি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমান খোকা বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় ওমরপুর-তালোড়া সড়কের হাটকড়ই বাজার থেকে ভাটগ্রামমুখী একটি দ্রুতগামী অজ্ঞাতনামা মোটরসাইকেল তাঁকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি পাকা সড়কে ছিটকে পড়ে মাথা ও মুখমণ্ডলে মারাত্মক আঘাত পান। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। নিহত আব্দুর রহমান খোকা পালি গ্রামের মৃত ইছার উদ্দিনের ছেলে এবং পেশায় একজন কৃষক ছিলেন।
এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিকুল ইসলাম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় দুই ব্যক্তির মৃত্যুর বিষয়টি তারা অবগত হয়েছেন। তবে এ ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি।
নিজস্ব প্রতিনিধি, তানভির রহমান 


















