১১টি বিমানবাহী রণতরী থাকা সত্ত্বেও কেন চাপে মার্কিন নৌবাহিনী?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহরে বর্তমানে ১১টি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে, যেখানে চীনের বহরে রয়েছে মাত্র তিনটি। সংখ্যাতাত্ত্বিক বিচারে যুক্তরাষ্ট্রের এই সক্ষমতা অনেক বেশি মনে হলেও, বাস্তবে বিশ্বজুড়ে নিজেদের সামরিক চাহিদা মেটাতে গিয়ে দেশটি বড় ধরনের চাপের মুখে পড়ছে। অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন ভাইস অ্যাডমিরাল জন মিলার সম্প্রতি এই বাস্তবতার কথা তুলে ধরেছেন।

আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জন মিলার ব্যাখ্যা করেন যে, কাগজে-কলমে ১১টি রণতরীর সংখ্যা বিশাল মনে হলেও বাস্তবে সব জাহাজ একসঙ্গে সমুদ্রে মোতায়েন রাখা সম্ভব নয়। তিনি জানান, নৌবাহিনীর প্রকৃত সক্ষমতা বা প্রস্তুত থাকার হিসাব বের করতে মোট বহরকে তিন দিয়ে ভাগ করতে হয়। রক্ষণাবেক্ষণ এবং ক্রুদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজনে এই জাহাজগুলোর একটি বড় অংশকে সবসময় ডকইয়ার্ডে থাকতে হয়।

মিলার আরও সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের মতো উত্তপ্ত অঞ্চলে দুটি ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করা মানে হলো বিশাল শক্তির প্রদর্শন। তবে এর ফলে বিশ্বরাজনীতির অন্য কোনো অঞ্চলে অন্য কোনোভাবে এর মাশুল গুনতে হতে পারে। অর্থাৎ, এক জায়গায় শক্তি বাড়াতে গিয়ে অন্য জায়গায় ঘাটতি তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে, যা মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিডনির নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রথম যাত্রীবাহী ফ্লাইটের যাত্রা শুরু

Verified by MonsterInsights

১১টি বিমানবাহী রণতরী থাকা সত্ত্বেও কেন চাপে মার্কিন নৌবাহিনী?

আপলোডের সময় : 10:56:31 am, Tuesday, 25 August 2026

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহরে বর্তমানে ১১টি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে, যেখানে চীনের বহরে রয়েছে মাত্র তিনটি। সংখ্যাতাত্ত্বিক বিচারে যুক্তরাষ্ট্রের এই সক্ষমতা অনেক বেশি মনে হলেও, বাস্তবে বিশ্বজুড়ে নিজেদের সামরিক চাহিদা মেটাতে গিয়ে দেশটি বড় ধরনের চাপের মুখে পড়ছে। অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন ভাইস অ্যাডমিরাল জন মিলার সম্প্রতি এই বাস্তবতার কথা তুলে ধরেছেন।

আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জন মিলার ব্যাখ্যা করেন যে, কাগজে-কলমে ১১টি রণতরীর সংখ্যা বিশাল মনে হলেও বাস্তবে সব জাহাজ একসঙ্গে সমুদ্রে মোতায়েন রাখা সম্ভব নয়। তিনি জানান, নৌবাহিনীর প্রকৃত সক্ষমতা বা প্রস্তুত থাকার হিসাব বের করতে মোট বহরকে তিন দিয়ে ভাগ করতে হয়। রক্ষণাবেক্ষণ এবং ক্রুদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজনে এই জাহাজগুলোর একটি বড় অংশকে সবসময় ডকইয়ার্ডে থাকতে হয়।

মিলার আরও সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের মতো উত্তপ্ত অঞ্চলে দুটি ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করা মানে হলো বিশাল শক্তির প্রদর্শন। তবে এর ফলে বিশ্বরাজনীতির অন্য কোনো অঞ্চলে অন্য কোনোভাবে এর মাশুল গুনতে হতে পারে। অর্থাৎ, এক জায়গায় শক্তি বাড়াতে গিয়ে অন্য জায়গায় ঘাটতি তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে, যা মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।