নেপালে ধ্বংসস্তূপের নিচে ২৪ ঘণ্টা আটকে থাকার পর ১০৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা জীবিত উদ্ধার

নেপালে এক অবিশ্বাস্য ও অলৌকিক উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। নিজের বসতবাড়ি হঠাৎ ধসে পড়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে টানা ২৪ ঘণ্টা আটকে ছিলেন ১০৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা। দীর্ঘ সময় মৃত্যুর মুখে থেকেও শেষ পর্যন্ত তিনি জীবিত উদ্ধার হয়েছেন, যা স্থানীয়দের মাঝে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে। গত ২৮ আগস্ট আলেকজান্ডার লোপেজের করা এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

ঘটনার দিন চোখের পলকেই বৃদ্ধার বাড়িটি ধসে পড়েছিল। চারপাশের সবকিছু মাটির সঙ্গে মিশে গেলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে তিনি আটকা পড়েন। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে টানা ২৪ ঘণ্টা তিনি সেখানে নিথর হয়ে পড়ে ছিলেন। বাইরে তখন উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপের প্রতিটি স্তর অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সরিয়ে তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছিল। উদ্ধারকর্মীরা জানতেন না যে নিচে কেউ জীবিত থাকতে পারে, তবে তারা তাদের অনুসন্ধান চালিয়ে যান।

উদ্ধার অভিযানের এক পর্যায়ে সেন্সরের মাধ্যমে ধ্বংসস্তূপের নিচে ক্ষীণ প্রাণের স্পন্দন শনাক্ত করেন উদ্ধারকর্মীরা। বৃদ্ধার যেন কোনো শারীরিক আঘাত না লাগে, সেজন্য শেষ কয়েক মিটার জায়গা খোঁড়ার সময় তারা কোনো ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেননি। অত্যন্ত সাবধানে ধ্বংসস্তূপের শেষ ব্লকটি সরানোর পর তারা দেখতে পান যে, এক শতাব্দীরও বেশি সময় পার করা ওই বৃদ্ধা তখনও জীবিত আছেন এবং তার জ্ঞান রয়েছে।

জীবনের ১০৫টি বছর পার করে এসে তিনি গত ২৪ ঘণ্টা মৃত্যুর যতটা কাছাকাছি ছিলেন, এর আগে হয়তো কখনোই এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হননি। এই সফল উদ্ধার অভিযান দুর্যোগপ্রবণ নেপালের উদ্ধারকর্মীদের সক্ষমতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সূত্র: আলেকজান্ডার লোপেজের প্রতিবেদন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিডনির নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রথম যাত্রীবাহী ফ্লাইটের যাত্রা শুরু

Verified by MonsterInsights

নেপালে ধ্বংসস্তূপের নিচে ২৪ ঘণ্টা আটকে থাকার পর ১০৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা জীবিত উদ্ধার

আপলোডের সময় : 10:29:17 am, Saturday, 29 August 2026

নেপালে এক অবিশ্বাস্য ও অলৌকিক উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। নিজের বসতবাড়ি হঠাৎ ধসে পড়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে টানা ২৪ ঘণ্টা আটকে ছিলেন ১০৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা। দীর্ঘ সময় মৃত্যুর মুখে থেকেও শেষ পর্যন্ত তিনি জীবিত উদ্ধার হয়েছেন, যা স্থানীয়দের মাঝে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে। গত ২৮ আগস্ট আলেকজান্ডার লোপেজের করা এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

ঘটনার দিন চোখের পলকেই বৃদ্ধার বাড়িটি ধসে পড়েছিল। চারপাশের সবকিছু মাটির সঙ্গে মিশে গেলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে তিনি আটকা পড়েন। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে টানা ২৪ ঘণ্টা তিনি সেখানে নিথর হয়ে পড়ে ছিলেন। বাইরে তখন উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপের প্রতিটি স্তর অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সরিয়ে তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছিল। উদ্ধারকর্মীরা জানতেন না যে নিচে কেউ জীবিত থাকতে পারে, তবে তারা তাদের অনুসন্ধান চালিয়ে যান।

উদ্ধার অভিযানের এক পর্যায়ে সেন্সরের মাধ্যমে ধ্বংসস্তূপের নিচে ক্ষীণ প্রাণের স্পন্দন শনাক্ত করেন উদ্ধারকর্মীরা। বৃদ্ধার যেন কোনো শারীরিক আঘাত না লাগে, সেজন্য শেষ কয়েক মিটার জায়গা খোঁড়ার সময় তারা কোনো ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেননি। অত্যন্ত সাবধানে ধ্বংসস্তূপের শেষ ব্লকটি সরানোর পর তারা দেখতে পান যে, এক শতাব্দীরও বেশি সময় পার করা ওই বৃদ্ধা তখনও জীবিত আছেন এবং তার জ্ঞান রয়েছে।

জীবনের ১০৫টি বছর পার করে এসে তিনি গত ২৪ ঘণ্টা মৃত্যুর যতটা কাছাকাছি ছিলেন, এর আগে হয়তো কখনোই এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হননি। এই সফল উদ্ধার অভিযান দুর্যোগপ্রবণ নেপালের উদ্ধারকর্মীদের সক্ষমতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সূত্র: আলেকজান্ডার লোপেজের প্রতিবেদন।