
বগুড়ার নন্দীগ্রামে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর, হাড় ভাঙা জখম এবং নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে ২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয়ে ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বগুড়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, নন্দীগ্রাম আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন উপজেলার চকরতেশ্বর গ্রামের মৃত আব্দুল সবুরের ছেলে মো: মোকছেদুল ইসলাম (৪৬)। মামলায় অভিযুক্ত আসামীরা হলেন তুলাশন গ্রামের মৃত রববানীর ছেলে মো: হারুন (৩৬) এবং মৃত রইছ উদ্দিন প্রাং-এর ছেলে মো: ইউনুছ (৫২)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২২ আগস্ট (শনিবার) রাত ৯ টার দিকে ইউনুস আলীর বসতবাড়িতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আরজিতে বাদী উল্লেখ করেন, প্রতিবেশীদের সাথে পূর্ব থেকেই পারিবারিক বিষয়াদি নিয়ে মনোমালিন্য চলছিল। ঘটনার দিন আসামীরা দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড, লাঠি ও চাকু নিয়ে বাদীর বসতবাড়ির সামনে এসে হট্টগোল শুরু করে। একপর্যায়ে বাদী বাইরে বের হলে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ইউনুসের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বাদীর হাত-পা দড়ি দিয়ে বেঁধে হারুন লোহার রড দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করে। বাদী সড়ে গেলে আঘাতটি তার বাম হাতের ডাবনাতে লেগে গুরুতর জখম হয়। পরবর্তীতে পুনরায় রড দিয়ে বুকে আঘাত করলে বাদীর বুকের হাড় ভেঙে যায়।পরবর্তীতে অভিযুক্তরা দফায় দফায় মারধর করে বাদীকে মৃত ভেবে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায় এবং তার পকেটে থাকা নগদ বিশ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগে বলা হয়।
পরদিন রবিবার (২৩ আগস্ট) সকালে বাদীর স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে ভর্তি করান। চিকিৎসাসেবা শেষে রবিবার (৩০আগস্ট) আদালতে মামলা দায়ের করেন।
মামলায় বাদীপক্ষ আদালতের কাছে উক্ত ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রার্থনা জানিয়েছেন।