
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিরাজনীতিকরণের নামে বুয়েটকে জঙ্গিবাদের আখড়া বানানো যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
সোমবার (১ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি-বাচসাসের ৫৬ বছরপূর্তিতে ‘মুক্তিযুদ্ধের স্মার্ট বাংলাদেশ’ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
হাছান মাহমুদ বলেন, বুয়েটে সবসময় ছাত্ররাজনীতি ছিল। দেশের অনেক বরেণ্য রাজনীতিবিদ বুয়েট থেকে পাস করেছেন। কিন্তু একটা গোষ্ঠী নির্বাচন বয়কট করেছিল এবং পরে বিদেশিদের মুখের দিকে তাকিয়েছিল যে কিছু হয় কি না।
কিন্তু বিশ্বনেতারা প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানোর ফলে তাদের সেই আশা পূরণ হয়নি। তারাই বুয়েটকে বিরাজনীতিকরণের মাধ্যমে পুরো দেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে চায়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বুয়েটে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার বিচারও হয়েছে। কিন্তু প্রগতিশীল রাজনীতি বন্ধের আড়ালে সেখানে নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী সক্রিয় হয়েছে কি না, সেটি খুঁজে বের করতে হবে।
তিনি বলেন, বুয়েটে সাধারণ ছাত্ররা যে আন্দোলন করছে, সেটিকে সম্মান জানাই। কিন্তু সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে একটি শ্রেণি বুয়েটকে জঙ্গিবাদের আখড়ায় পরিণত করার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এটি কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। বুয়েটে জঙ্গিবাদ ঢুকেছে কি না, সেটিও দেখা দরকার।
এসময় শিক্ষার্থীদের বিপথগামিতা থেকে বাঁচাতে সংস্কৃতিচর্চায় গুরুত্ব আরোপ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এক্ষেত্রে দীর্ঘ অর্ধ শতাধিক বছর ধরে বাচসাসের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।
হাছান মাহমুদ বলেন, দেশে একটি সাংস্কৃতিক জাগরণ দরকার। পাড়া-মহল্লায় সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো দরকার। তাহলে ছাত্ররা বিপথে যেতে পারবে না।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
প্রতিনিধির নাম 























