1. reporter@youthtvnewsbd.com : reporter :
  2. youthtvnews2019@gmail.com : youthttvnews24 :
বাহুবলে কাজীর লাইসেন্স প্রাপ্তি নিয়ে চলছে তেলেসমাতি,লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ লেনদেন - Youth Tv news
নোটিশ
ইয়ুথ টেলিভিশন এ বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। এছাড়াও জেলা ব্যুরো প্রধান, বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, স্টাফ রিপোর্টার, ক্যাম্পাস  প্রতিনিধি, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার নিয়োগ চলছে। আগ্রহীগণ জীবনবৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভোটার আইডি কার্ডের কপি, নাগরিক সনদের কপি ও সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদ (যদি থাকে) সহ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। মোবাইল: ০১৪০৯-৯৯০৪০০, ০১৯৭২-০৮৪৬৯৬।

বাহুবলে কাজীর লাইসেন্স প্রাপ্তি নিয়ে চলছে তেলেসমাতি,লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ লেনদেন

স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • আপডেট সময়ঃ মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০২৪
  • ১০৮ বার

স্টাফ রিপোর্টারঃ হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার ৩নং সাতকাপন ইউনিয়নের নিকাহ ও তালাক রেজিষ্ট্রার (কাজী) নেই দীর্ঘ ৬ বছর ধরে। পুর্বের কাজী মাওলানা মনির উদ্দিনের ইন্তেকালের পর সাতকাপন ইউনিয়নে কাজী নিয়োগলাভের জন্য অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠেন। শেষ পর্যন্ত কাজী লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য প্রার্থীদের আবেদন গ্রহণ করা হয়। বিবিধ অনুযায়ী প্রার্থীদের আবেদন গ্রহণ করেন উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার। যেভাবে কাজী লাইসেন্স দেয়া হয় : সরকারি বিধি অনুযায়ী লাইসেন্স মঞ্জুরীর জন্য ৫ সদস্যের একটি উপদেষ্ঠা কমিটি গঠিত হয়। তারা হলেন-নির্বাচনী এলাকার এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সাব রেজিষ্ট্রার ও সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান। এই উপদেষ্ঠা কমিটি প্রার্থীদের প্রাপ্ত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে ৩ জনের একটি প্যানেল প্রস্তুত করে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রেরণ করবেন। সরকার এখান থেকে একজনকে লাইসেন্স প্রদানের জন্য মনোনীত করবেন। কিন্তু বিগত ২০১৯ সাল হইতেই এই সাতকাপন ইউনিয়নের কাজীর লাইসেন্স প্রদান নিয়ে চলে আসছে তেলেসমাতি কারবার। অনেকেই লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য হুমড়ি খেয়ে আবেদন করেন। এর পর শুরু হয় ঘুষ লেনদেন। ঘুষ নেন কারা? উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউএনও ও এমপির আস্থাভাজন এক জনপ্রতিনিধি। কেউ কেউ ৮লাখ, ৫ লাখ, অনেকেই ৩ লাখ টাকা লেনদেন করেন। যদিও এর কোন তথ্য প্রমাণ নেই, কিন্তু মানুষের মুখে মুখে রটছে এমনকি প্রার্থীরা নিজেরা অগোচরে স্বীকার করেন। জানা গেছে, সেই সময়ে এমপি মিলাদ গাজী সাহেব অসংখ্য প্রার্থীর পক্ষে ডিও দেন বলে অনেক প্রার্থীরা জানান। অথচ এই কাজী লাইসেন্স মঞ্জুরীর জন্য এমপির কোন ডিও দেয়ার বিধানই নেই। তাহলে কেন দিলেন? এবং একই বিষয়ে একাধিক কেন? এর উত্তর আল্লাহ জানেন আর সেই সময়ের এমপি জানেন। এর মাঝে কয়েকজন প্রার্থী টাকা ফেরতও পেয়েছেন। আবার অনেকেই ফেরত পাননি। ২০১৯ সালের শেষের দিকে বাহুবলের তৎকালীন ইউএনও আয়েশা হক প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা নেন বাহুবল সদর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এর লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। এ নিয়ে আয়েশা হক বিতর্কিত হয়ে বদলী হয়ে যান। ঘুষের ক্ষেত্রে আয়েশা হক স্বচ্ছ ছিলেন না। এবার উপদেষ্ঠা কমিটিতে নতুন মুখ : ২০২৪ সালে এসে নতুন এমপি, উপজেলা পরিষদের নতুন চেয়ারম্যান, নতুন ইউএনও ও নতুন সাব রেজিষ্ট্রার। নতুন এমপি হওয়ার পর পরই প্রার্থীদের মাঝে নতুন করে লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য নড়েচড়ে উঠেন। যোগাযোগ করতে থাকেন এমপি চেয়ারম্যানদের সাথে। এর মাঝে একজন প্রার্থী নিজেকে ভাল মানুষ হিসেবে গণ-স্বাক্ষর সংগ্রহ করে এমপি মহোদয়ের কাছে জমা দিয়ে আস্থাভাজন হতে চেয়েছেন। তার নাকি উপর মহলে লোক আছে। উপর মহলে লোক থাকলেই কি লাইসেন্স পাওয়া যায়? প্রস্তাবনা ঃ যেহেতু সাতকাপন ইউনিয়নের কাজী লাইসেন্স নিয়ে দুর্নীতি অনিয়ম চাউর হচ্ছে, সেহেতু এই লাইসেন্স মঞ্জুরীর ক্ষেত্রে উপদেষ্ঠা কমিটি ইচ্ছা করলে কোন সরকারি কলেজের শিক্ষকদের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে তাদের মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষার স্বচ্ছ ফলাফলের মাধ্যমে ৩জনের প্যানেল করে সরকারের কাছে পাঠাতে পারেন। তবেই ভবিষ্যৎ স্বচ্ছতা নিশ্চিত হতে পারে। এই প্রস্তাবনাটি আমলে নিতে পারেন বাহুবলের নতুন স্বচ্ছ এমপি আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (শপথ হওয়ার) আনোয়ার হোসাইন, ইউএনও, সাব রেজিষ্ট্রার ও সংশ্লিষ্ট সাতকাপন ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুর রেজ্জাক। আমাদের প্রাপ্ত তথ্যমতে- এই কমিটির লোকজন অত্যন্ত ভাল মানুষ এবং দুর্নীতির উর্ধ্বে বলে ধারণা।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো দেখুন...

Copyright © All rights reserved © 2017 Youth Television News. Design & Development by SA Creative Media 
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com