1. reporter@youthtvnewsbd.com : reporter :
  2. youthtvnews2019@gmail.com : youthttvnews24 :
ভালুকায় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের জমি নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি - Youth Tv news
নোটিশ
ইয়ুথ টেলিভিশন এ বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। এছাড়াও জেলা ব্যুরো প্রধান, বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, স্টাফ রিপোর্টার, ক্যাম্পাস  প্রতিনিধি, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার নিয়োগ চলছে। আগ্রহীগণ জীবনবৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভোটার আইডি কার্ডের কপি, নাগরিক সনদের কপি ও সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদ (যদি থাকে) সহ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। মোবাইল: ০১৪০৯-৯৯০৪০০, ০১৯৭২-০৮৪৬৯৬।

ভালুকায় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের জমি নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক: নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • আপডেট সময়ঃ রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ০ বার

ময়মনসিংহের ভালুকায় ৪৫ মেগাওয়াটের একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ ঘিরে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের বিতর্ক। এই প্রকল্পের জমি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। প্রকল্পের উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ‘ভাওয়াল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেড’-এর চেয়ারম্যান তাসলিমা আক্তার, যিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদের স্ত্রী। স্থানীয়ভাবে প্রতিষ্ঠানটি এমপির মালিকানাধীন হিসেবে পরিচিত হওয়ায় পুরো বিষয়টি এখন জনগুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

প্রকল্পের জমি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগের ভূমিকা নিয়ে পরস্পরবিরোধী তথ্য পাওয়া গেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুসরাত জামান জানিয়েছেন, পুরো জমিকে অকৃষি হিসেবে প্রত্যয়ন দেওয়ার জন্য তাঁর ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল। উন্নয়নমূলক কাজের দোহাই দিয়ে তাঁকে অনাপত্তি দিতে বাধ্য করা হয় বলে তাঁর ভাষ্য। যদিও সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন।

জমি যাচাইয়ের প্রতিবেদনের তথ্যে বড় ধরনের অসামঞ্জস্যতা লক্ষ্য করা গেছে। গত ২৩ জুলাই যাচাই কমিটির প্রতিবেদনে ১৬৭ দশমিক ৮৪ একর জমির মধ্যে ৬৩ একরকে এক ফসলি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল এবং সেখানে স্থাপনা নির্মাণে ধান উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা জানানো হয়েছিল। কিন্তু মাত্র এক মাসের ব্যবধানে ১৯ আগস্ট দেওয়া অনাপত্তিপত্রে দেখা যায়, ১৭৩ দশমিক ১৩ একর জমির মধ্যে ১৪১ দশমিক ৯৭ একরকে অকৃষি এবং মাত্র ৩১ দশমিক ১৬ একরকে এক ফসলি হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই নাটকীয় পরিবর্তনের কারণ নিয়ে জনমনে সংশয় তৈরি হয়েছে।

কৃষি কর্মকর্তা নুসরাত জামান আরও দাবি করেছেন, কিছু দাগ পরিবর্তন করা হলেও মাঠপর্যায়ে পুনরায় যাচাই করার সুযোগ তিনি পাননি। অন্যদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানিয়েছেন, এক ফসলি ও মাছ চাষের জমি বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং সংশোধিত শিডিউলে প্রায় ২০ একর জমি বাদ দেওয়া হয়েছে। ইউএনওর দাবি, অনাপত্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো চাপ ছিল না। সরকারি কর্মকর্তাদের এমন বিপরীতমুখী বক্তব্য পুরো প্রক্রিয়াটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। কৃষিজমি রক্ষা ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে এই ঘটনার একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অভিযোগটি সত্য কি না, তা তদন্ত হওয়া দরকার। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এমন পরিস্থিতিতে প্রকল্পটির প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি ছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কৃষি বিভাগ প্রথমে জমিকে কৃষিজমি উল্লেখ করে আপত্তি জানিয়েছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পরে সেই বিভাগই অনাপত্তিপত্র দিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত তাঁকে অনাপত্তি দিতে হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রশ্ন উঠেছে, একজন সংসদ সদস্য কি তাঁর পদ বা রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে নিজের পরিবারের ব্যবসায়িক স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি প্রকল্পে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, স্থাপনা নির্মিত হলে ধানের উৎপাদন কমবে।

শেয়ার করুন...

আরো দেখুন...

Copyright © All rights reserved © 2017 Youth Television News.
Verified by MonsterInsights