বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির চড়-থাপ্পড়ের শিকার স্বতন্ত্র প্রার্থী

নিউজ ডেস্কঃ

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. জিয়াউল হক মোল্লাকে চড়-থাপ্পড় মেরে তার গাড়ি ভাঙচুর করেছেন দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

সোমবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে কাহালু উপজেলার কালাই ইউনিয়নের তিনদীঘি বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

নির্বাচনী গণসংযোগকালে বিএনপির নেতাকর্মীরা এ হামলা করেছেন বলে দাবি করেন ডা. জিয়াউল হক মোল্লা।

তিনি জানান, কাহালু উপজেলার তিনদীঘি এলাকায় গণসংযোগে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। তারা মাইক্রোবাসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় ডা. জিয়াউল হক মোল্লার নাক দিয়ে রক্ত ঝরছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে মারছেন। আর তার ভাঙচুর করা গাড়িতে করেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

অপরদিকে ডা. জিয়াউল হকের অভিযোগ অস্বীকার করে কাহালু উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুর রহমান বলেন, হামলা হয়েছে এমন কথা শুনেছি। তবে কারা হামলা করেছে সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না।

কাহালু থানার ওসি সেলিম রেজা বলেন, প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনা শুনেছি। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ডা. জিয়াউল হক মোল্লা বগুড়া-৪ আসনে বিএনপি থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৭ সালে তিনি সংস্কারপন্থী নেতা হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পর দলের সকল পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

হামের টিকার কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ, ২৭ শতাংশ শিশুর অ্যান্টিবডি নেই

Verified by MonsterInsights

বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির চড়-থাপ্পড়ের শিকার স্বতন্ত্র প্রার্থী

আপলোডের সময় : 04:10:33 pm, Monday, 11 December 2023

নিউজ ডেস্কঃ

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. জিয়াউল হক মোল্লাকে চড়-থাপ্পড় মেরে তার গাড়ি ভাঙচুর করেছেন দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

সোমবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে কাহালু উপজেলার কালাই ইউনিয়নের তিনদীঘি বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

নির্বাচনী গণসংযোগকালে বিএনপির নেতাকর্মীরা এ হামলা করেছেন বলে দাবি করেন ডা. জিয়াউল হক মোল্লা।

তিনি জানান, কাহালু উপজেলার তিনদীঘি এলাকায় গণসংযোগে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। তারা মাইক্রোবাসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় ডা. জিয়াউল হক মোল্লার নাক দিয়ে রক্ত ঝরছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে মারছেন। আর তার ভাঙচুর করা গাড়িতে করেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

অপরদিকে ডা. জিয়াউল হকের অভিযোগ অস্বীকার করে কাহালু উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফরিদুর রহমান বলেন, হামলা হয়েছে এমন কথা শুনেছি। তবে কারা হামলা করেছে সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না।

কাহালু থানার ওসি সেলিম রেজা বলেন, প্রার্থীর ওপর হামলার ঘটনা শুনেছি। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ডা. জিয়াউল হক মোল্লা বগুড়া-৪ আসনে বিএনপি থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৭ সালে তিনি সংস্কারপন্থী নেতা হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পর দলের সকল পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়