আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছেন কেশবপুরের সংখ্যালঘুরা

উৎপল ঘোষ,ক্রাইম রিপোর্টার : শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা আত্মগোপনে চলে গেছে। এরপর থেকে দলটির সমার্থক, নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষ ও সংখ্যালঘুরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমীন, সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক পৌর কাউন্সিলর বি এম শহিদুজ্জামান শহিদ যুগ্ম আহবায়ক আবু সাইদ লাভলু, কৃষক লীগের সভাপতি সৈয়দ নাহিদ হাসান, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাবেয়া ইকবাল আত্মগোপনে চলে গেছেন। দুর্বৃত্তরা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক পৌর কাউন্সিলর বি এম শহিদুজ্জামান শহিদের ছোট ভাই ওয়াহিদুজ্জামানের লোটোর শো-রুম, সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক মোঃ রফিকুল ইসলামের পৌর শহরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। বিচ্ছিন্ন ভাবে হামলা লুটপাট ও ভাঙচুরের কারণে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, সমর্থক ও সংখ্যালঘুরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মোক্তার আলী, সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুস সামাদের ও বিএনপি সংগঠনের নেতা-কর্মীরা দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শিল্পপতি আবুল হোসেন আজাদে নেতৃত্বে উপজেলার ১৪৪ গ্রামে ও সংখ্যালঘু সম্প্রদয়ের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তাদের শান্তনা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার নিশ্চয়তা দিয়ে চলেছেন। উপজেলা স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক কনক সেনের নেতৃত্বে স্বর্ণ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার আহবান জানান। এর পরেও সংখ্যালঘুদের মনের আতঙ্ক কোনো ভাবে যেন দূর হচ্ছে না। তারা তাদের দোকান খোলা রাখতে সাহস পাচ্ছে না। পৌর সভার স্বর্ণ পট্টির স্বপন জুয়েলার্সের মালিক মিলন কুমার দে দৈনিক এই আমার দেশ প্রতিবেদককে বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পরেও তারা আতঙ্কিত।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক

Verified by MonsterInsights

আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছেন কেশবপুরের সংখ্যালঘুরা

আপলোডের সময় : 08:16:15 am, Sunday, 11 August 2024

উৎপল ঘোষ,ক্রাইম রিপোর্টার : শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতারা আত্মগোপনে চলে গেছে। এরপর থেকে দলটির সমার্থক, নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষ ও সংখ্যালঘুরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমীন, সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক পৌর কাউন্সিলর বি এম শহিদুজ্জামান শহিদ যুগ্ম আহবায়ক আবু সাইদ লাভলু, কৃষক লীগের সভাপতি সৈয়দ নাহিদ হাসান, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাবেয়া ইকবাল আত্মগোপনে চলে গেছেন। দুর্বৃত্তরা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক পৌর কাউন্সিলর বি এম শহিদুজ্জামান শহিদের ছোট ভাই ওয়াহিদুজ্জামানের লোটোর শো-রুম, সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহবায়ক মোঃ রফিকুল ইসলামের পৌর শহরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। বিচ্ছিন্ন ভাবে হামলা লুটপাট ও ভাঙচুরের কারণে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, সমর্থক ও সংখ্যালঘুরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মোক্তার আলী, সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুস সামাদের ও বিএনপি সংগঠনের নেতা-কর্মীরা দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শিল্পপতি আবুল হোসেন আজাদে নেতৃত্বে উপজেলার ১৪৪ গ্রামে ও সংখ্যালঘু সম্প্রদয়ের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তাদের শান্তনা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার নিশ্চয়তা দিয়ে চলেছেন। উপজেলা স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক কনক সেনের নেতৃত্বে স্বর্ণ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার আহবান জানান। এর পরেও সংখ্যালঘুদের মনের আতঙ্ক কোনো ভাবে যেন দূর হচ্ছে না। তারা তাদের দোকান খোলা রাখতে সাহস পাচ্ছে না। পৌর সভার স্বর্ণ পট্টির স্বপন জুয়েলার্সের মালিক মিলন কুমার দে দৈনিক এই আমার দেশ প্রতিবেদককে বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পরেও তারা আতঙ্কিত।