অভয়নগরে ত্রাণ চাইনে পানি সরাও ভবদহের সুন্দলীবাসীর দাবি  

ভবদহের জলাবদ্ধ অভয়নগর উপজেলার সুন্দলীবাসী শুক্রবার দুপুরে পানিতে দাড়িয়ে মানববন্ধন করেন। সামাজিক সংগঠন অপরাজেয় সামাজিক পরিষদের আয়োজনে সুন্দলী বাজারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনের দাড়িয়ে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র বলেন, প্রায় তিন যুগ পানির সাথে সংগ্রাম করে বেঁচে আছি।এখানে এক সময় সোনা ফলতো। কৃষকেরা বিনা সারে ধান চাষ করতো। শুকনো মৌসুমে তিল, তরমুজ সহ হরেক রকম আবাদ হতো। এলাকায় বিল ভরা নানা প্রজাতির মাছ ছিলো। ভবদহের জলবদ্ধতায় আমাদের সব কিছু কেড়ে নিয়েছে।এখন বছরের প্রায় চার মাস ঘরবাড়ি জলে ডুবে থাকে। এ সময় আমরা ঘরের মধ্যে মাচা করে বসবাস করি, বাচ্চাদে নিয়ে ভয়ে থাকি কখন যেন মাচা থেকে পানিতে পড়ে ডুবে মরে। বিষক্ত সাপের ভয়ে পালা করে রাত জেগে থাকতে হয়।
গৃহিনী লক্ষিবালা বলেন, আমার ঘরের মধ্যে হাটু জল, চুলার মধ্যেও জল। ঘরে সবকিছু আছে রান্না – শোয়ার জায়গা নেই। আমরা ত্রাণ চাইনা পানি সরাও।
মানববন্ধনে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন অপরাজেয় সামাজিক পরিষদের সভাপতি কামরুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক অঞ্জন কুমার বাবলু, সম্মানীত সদস্য আবুল কালাম সরদার, হাসান আলী গাজী, সাকিবুল ইসলাম, ফারুক হোসেন মোল্যা, মোহাম্মাদ আলী মোল্যা প্রমুখ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে উপনির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের নির্দেশনা

Verified by MonsterInsights

অভয়নগরে ত্রাণ চাইনে পানি সরাও ভবদহের সুন্দলীবাসীর দাবি  

আপলোডের সময় : 09:28:11 pm, Friday, 4 October 2024

ভবদহের জলাবদ্ধ অভয়নগর উপজেলার সুন্দলীবাসী শুক্রবার দুপুরে পানিতে দাড়িয়ে মানববন্ধন করেন। সামাজিক সংগঠন অপরাজেয় সামাজিক পরিষদের আয়োজনে সুন্দলী বাজারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনের দাড়িয়ে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র বলেন, প্রায় তিন যুগ পানির সাথে সংগ্রাম করে বেঁচে আছি।এখানে এক সময় সোনা ফলতো। কৃষকেরা বিনা সারে ধান চাষ করতো। শুকনো মৌসুমে তিল, তরমুজ সহ হরেক রকম আবাদ হতো। এলাকায় বিল ভরা নানা প্রজাতির মাছ ছিলো। ভবদহের জলবদ্ধতায় আমাদের সব কিছু কেড়ে নিয়েছে।এখন বছরের প্রায় চার মাস ঘরবাড়ি জলে ডুবে থাকে। এ সময় আমরা ঘরের মধ্যে মাচা করে বসবাস করি, বাচ্চাদে নিয়ে ভয়ে থাকি কখন যেন মাচা থেকে পানিতে পড়ে ডুবে মরে। বিষক্ত সাপের ভয়ে পালা করে রাত জেগে থাকতে হয়।
গৃহিনী লক্ষিবালা বলেন, আমার ঘরের মধ্যে হাটু জল, চুলার মধ্যেও জল। ঘরে সবকিছু আছে রান্না – শোয়ার জায়গা নেই। আমরা ত্রাণ চাইনা পানি সরাও।
মানববন্ধনে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন অপরাজেয় সামাজিক পরিষদের সভাপতি কামরুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক অঞ্জন কুমার বাবলু, সম্মানীত সদস্য আবুল কালাম সরদার, হাসান আলী গাজী, সাকিবুল ইসলাম, ফারুক হোসেন মোল্যা, মোহাম্মাদ আলী মোল্যা প্রমুখ।