ঝিকরগাছায় বন্ধুর বউয়ের সাথে পরকীয়ার জেরে বন্ধু নিহত

আফজাল হোসেন চাঁদ, ঝিকরগাছা :

যশোরের ঝিকরগাছা পৌর সদরে কাটাখাল আফিল রোডের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে কেসমত ওরফে ক্যাসেট (২৫) বন্ধুর বউয়ের সাথে পরকীয়ার জের ধরে শনিবার সকাল ৮টার দিকে ছুরিকাঘাতে তৌফিক আহমেদ (২৩) নামের এক বন্ধু নিহত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহত বন্ধু হল কৃষ্ণনগর সম্মিলনী মহিলা কলেজ পাড়া এলাকার কাঠমিস্ত্রি শাহাদত মোল্লার ছেলে। এ ঘটনায় থানার বিষয়ে থানা পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা মূল ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করে যাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানা যায়, তৌফিক ও ক্যাসেট দুজনে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল। তারা দুজনেই মাদক দ্রব্য সেবন করত। শুক্রবার সন্ধ্যায় ক্যাসেট তার স্ত্রী রিয়া ও তৌফিককে একসাথে তাদের রান্না ঘরে কথা বলতে দেখে ফেলে। এনিয়ে তাদের দু’বন্ধুর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে তৌফিক বাড়িতে চলে যায়। শনিবার সকালে তৌফিক অফিল ফার্মে কাজ করার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে অফিল রোড় ধরে যাওয়ার সময় ক্যাসেট তাকে ডেকে রাস্তা থেকে বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর দু’বন্ধুর মধ্যে আবারও কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ক্যাসেট ধারালো ছুরিদ্বারা তৌফিকের পেটে আঘাত করে। এ থেকে তৌফিকের পেটে থেকে নাড়ি বাহিরে বের হয়ে যায়। তাৎক্ষনিক স্থানীয়রা তৌফিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার অবস্থা অবনতি হওয়ায় কারণে কর্তব্যরত ডাক্তাররা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোরে রেফার করেন। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, পরকীয়ার জের ধরে হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আশাকরি তদন্তের উপর মূল ঘটনা বেরিয়ে আসবে। বর্তমানে এঘটনায় মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। আমরা আসমীকে আটকের চেষ্টায় আছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক

Verified by MonsterInsights

ঝিকরগাছায় বন্ধুর বউয়ের সাথে পরকীয়ার জেরে বন্ধু নিহত

আপলোডের সময় : 10:40:48 am, Saturday, 20 January 2024

আফজাল হোসেন চাঁদ, ঝিকরগাছা :

যশোরের ঝিকরগাছা পৌর সদরে কাটাখাল আফিল রোডের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে কেসমত ওরফে ক্যাসেট (২৫) বন্ধুর বউয়ের সাথে পরকীয়ার জের ধরে শনিবার সকাল ৮টার দিকে ছুরিকাঘাতে তৌফিক আহমেদ (২৩) নামের এক বন্ধু নিহত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহত বন্ধু হল কৃষ্ণনগর সম্মিলনী মহিলা কলেজ পাড়া এলাকার কাঠমিস্ত্রি শাহাদত মোল্লার ছেলে। এ ঘটনায় থানার বিষয়ে থানা পুলিশসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা মূল ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করে যাচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানা যায়, তৌফিক ও ক্যাসেট দুজনে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল। তারা দুজনেই মাদক দ্রব্য সেবন করত। শুক্রবার সন্ধ্যায় ক্যাসেট তার স্ত্রী রিয়া ও তৌফিককে একসাথে তাদের রান্না ঘরে কথা বলতে দেখে ফেলে। এনিয়ে তাদের দু’বন্ধুর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে তৌফিক বাড়িতে চলে যায়। শনিবার সকালে তৌফিক অফিল ফার্মে কাজ করার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে অফিল রোড় ধরে যাওয়ার সময় ক্যাসেট তাকে ডেকে রাস্তা থেকে বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর দু’বন্ধুর মধ্যে আবারও কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ক্যাসেট ধারালো ছুরিদ্বারা তৌফিকের পেটে আঘাত করে। এ থেকে তৌফিকের পেটে থেকে নাড়ি বাহিরে বের হয়ে যায়। তাৎক্ষনিক স্থানীয়রা তৌফিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার অবস্থা অবনতি হওয়ায় কারণে কর্তব্যরত ডাক্তাররা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোরে রেফার করেন। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, পরকীয়ার জের ধরে হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আশাকরি তদন্তের উপর মূল ঘটনা বেরিয়ে আসবে। বর্তমানে এঘটনায় মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। আমরা আসমীকে আটকের চেষ্টায় আছি।