
নোয়াখালীর হাতিয়ার নলচিরাঘাট থেকে চেয়ারম্যানঘাট আসার পথে উত্তাল মেঘনা নদীতে ১৭ জন যাত্রী নিয়ে বিকল হয়ে পড়ে একটি স্পিডবোট। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বোটটিটি নদীতে ভেসে ছিল। এ সময় যাত্রীরা ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
বুধবার (১৩ আগস্ট) সকাল সোয়া আটটার দিকে হাতিয়ার মেঘনা নদীতে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে স্পিডবোটটি অচল হয়ে পড়ে। পরে চেয়ারম্যানঘাটে খবর দেওয়া হলে সেখান থেকে আরেকটি স্পিডবোট তেল নিয়ে এলে ওই অচল স্পিডবোটটি সচল হয়ে ঘাটে ফিরে আসে।
ঘটনা জানার পর হাতিয়ার নলচিরা নৌ পুলিশ স্পিডবোটচালক মো. সাদ্দামকে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন ওই চালককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
হাতিয়ার নলচিরা নৌ পুলিশের পরিদর্শক আশীষ চন্দ্র সাহা বলেন, নদীতে যাত্রীসহ স্পিডবোট অচল হওয়ার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর দুপুরে ইউএনও মো. আলাউদ্দিনের নির্দেশে বোটচালককে আটক করা হয়। পরে জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয় তাকে।
ইউএনও মো. আলাউদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, স্পিডবোট চলাচলে বিআইডব্লিউটিসির রুট পারমিট নেই। কিন্তু জনগণের অসুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে তারা স্পিডবোট চলাচলের সুযোগ দিচ্ছেন। তবে শর্ত হিসেবে স্পিডবোটের ফিটনেস, রেজিস্ট্রেশন সনদ ও সার্ভে সনদ থাকতে হবে। যেসব স্পিডবোট ওই তিনটি সনদ দেখাতে পারবে না, সেটি নদীতে চলাচল করতে পারবে না। এ বিষয়ে নৌ পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া আছে।